নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকিমূল্যে পণ্য সরবরাহ জোরদার করতে বড় পরিসরে পাম তেল ও মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে যমুনা সেতুর সংস্কার ও নদীশাসনসহ একাধিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পেও বড় অঙ্কের ব্যয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আরও পড়ুন, ক্ষতি গুনেও ন্যূনতম কর, বাড়ছে ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তা
বৈঠকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের টিসিবি কার্ডধারীদের জন্য ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এ তেল কিনতে ব্যয় হবে প্রায় ১৮১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এছাড়া মসুর ডাল সংগ্রহ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ২ হাজার টন ডাল কেনা হবে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
আরও পড়ুন, আয়কর নীতিতে পরিবর্তন, করমুক্ত সীমা ৫ লাখ করার উদ্যোগ
অন্যদিকে যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে প্রায় ২৭৮ কোটি ২৬ লাখ টাকার ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় সেতুর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পরিত্যক্ত রেল লেন পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ ও নদীশাসন কার্যক্রমে প্রায় ২৩৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় নদীতীর সংরক্ষণ ও গ্রোয়েন নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে ৩০ হাজার টন রক ফসফেট আমদানির অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। তবে বৈঠকের নির্ধারিত এজেন্ডায় থাকা কিছু গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে। সরকার বলছে, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন নিম্নআয়ের মানুষের জন্য নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, অন্যদিকে অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকিমূল্যে পণ্য সরবরাহ জোরদার করতে বড় পরিসরে পাম তেল ও মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে যমুনা সেতুর সংস্কার ও নদীশাসনসহ একাধিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পেও বড় অঙ্কের ব্যয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আরও পড়ুন, ক্ষতি গুনেও ন্যূনতম কর, বাড়ছে ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তা
বৈঠকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের টিসিবি কার্ডধারীদের জন্য ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এ তেল কিনতে ব্যয় হবে প্রায় ১৮১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এছাড়া মসুর ডাল সংগ্রহ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ২ হাজার টন ডাল কেনা হবে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
আরও পড়ুন, আয়কর নীতিতে পরিবর্তন, করমুক্ত সীমা ৫ লাখ করার উদ্যোগ
অন্যদিকে যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে প্রায় ২৭৮ কোটি ২৬ লাখ টাকার ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় সেতুর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পরিত্যক্ত রেল লেন পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ ও নদীশাসন কার্যক্রমে প্রায় ২৩৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় নদীতীর সংরক্ষণ ও গ্রোয়েন নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে ৩০ হাজার টন রক ফসফেট আমদানির অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। তবে বৈঠকের নির্ধারিত এজেন্ডায় থাকা কিছু গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে। সরকার বলছে, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন নিম্নআয়ের মানুষের জন্য নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে, অন্যদিকে অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন