একই সঙ্গে রিটে উল্লেখিত সুপারিশ অনুযায়ী বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রাথমিক শুনানি শেষে এই রুল জারি করেন। রুলে আইনসচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন, চিফ হুইপকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারাগারে
রিট আবেদনকারী আইনজীবী খাদিজাতুল কোবরা জানান, রাজধানীতে গৃহকর্মীদের দ্বারা সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর বিষয়টি সামনে আসে। এরপর তিনি আইনি নোটিশ দিয়ে গৃহকর্মীদের নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানান। পরে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় তিনি ৩১ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন। সেই রিটের প্রাথমিক শুনানির পরই আদালত এই রুল জারি করেন।
আরও পড়ুন, শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অস্ত্র বিক্রেতার স্বীকারোক্তি
আইনজীবী আরও জানান, ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী ঢাকা শহরের নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায়—কোতোয়ালি, সূত্রাপুর, লালবাগ, রমনা ও তেজগাঁও—গৃহকর্মী নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি।তিনি বলেন, অধ্যাদেশ অনুযায়ী সরকার চাইলে গেজেটের মাধ্যমে অন্যান্য এলাকাও অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। কিন্তু এখনো কার্যকর বাস্তবায়ন হয়নি। আদালত রুলে জানতে চেয়েছেন, কেন এই আইন কার্যকর করা হবে না এবং কেন নির্দিষ্ট এলাকার পরিধি বাড়িয়ে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হবে না। এই রুলের ফলে গৃহকর্মী ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ নীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিষয় : রুল গৃহকর্মী নিবন্ধন

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
একই সঙ্গে রিটে উল্লেখিত সুপারিশ অনুযায়ী বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রাথমিক শুনানি শেষে এই রুল জারি করেন। রুলে আইনসচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন, চিফ হুইপকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারাগারে
রিট আবেদনকারী আইনজীবী খাদিজাতুল কোবরা জানান, রাজধানীতে গৃহকর্মীদের দ্বারা সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর বিষয়টি সামনে আসে। এরপর তিনি আইনি নোটিশ দিয়ে গৃহকর্মীদের নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানান। পরে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় তিনি ৩১ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন। সেই রিটের প্রাথমিক শুনানির পরই আদালত এই রুল জারি করেন।
আরও পড়ুন, শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অস্ত্র বিক্রেতার স্বীকারোক্তি
আইনজীবী আরও জানান, ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী ঢাকা শহরের নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায়—কোতোয়ালি, সূত্রাপুর, লালবাগ, রমনা ও তেজগাঁও—গৃহকর্মী নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি।তিনি বলেন, অধ্যাদেশ অনুযায়ী সরকার চাইলে গেজেটের মাধ্যমে অন্যান্য এলাকাও অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। কিন্তু এখনো কার্যকর বাস্তবায়ন হয়নি। আদালত রুলে জানতে চেয়েছেন, কেন এই আইন কার্যকর করা হবে না এবং কেন নির্দিষ্ট এলাকার পরিধি বাড়িয়ে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হবে না। এই রুলের ফলে গৃহকর্মী ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ নীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন