দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা
বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট

বর্ষার বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এডিস মশাবাহিত এই রোগ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন। এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জনশুধু জুলাই মাসের প্রথম ১৯ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন, যা জুন মাসের মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৯০৭ জনের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও  পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত দিন: ২০ জুলাইয়ে দেশজুড়ে কারফিউ ও সেনা টহল

তিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুর উৎস শনাক্ত ও ধ্বংসে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিগগিরই ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক বাসাবাড়ির ছাদ, গ্যারেজ ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শনে নামবেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ, নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি, লার্ভা জরিপ এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর, শরীরব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিষয় : আশঙ্কা ডেঙ্গুর দাপট বর্ষার বৃষ্টি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

বর্ষার বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এডিস মশাবাহিত এই রোগ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন। এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জনশুধু জুলাই মাসের প্রথম ১৯ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন, যা জুন মাসের মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৯০৭ জনের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও  পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত দিন: ২০ জুলাইয়ে দেশজুড়ে কারফিউ ও সেনা টহল

তিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুর উৎস শনাক্ত ও ধ্বংসে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিগগিরই ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক বাসাবাড়ির ছাদ, গ্যারেজ ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শনে নামবেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ, নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি, লার্ভা জরিপ এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর, শরীরব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত