ভূমিকম্পসহ বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করছে সরকার। দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় গড়ে তোলা হচ্ছে ১ লাখ প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকের একটি শক্তিশালী ভিত্তি। এরই মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে মহিলা আসন-১০-এর সরকারি দলের সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।ভূমিকম্পের মতো বড় দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি এবং উদ্ধার সরঞ্জাম সম্পর্কে জানতে চান নিলুফার চৌধুরী মনি।জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেও কাজ করছে সরকার।প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবকের একটি প্রশিক্ষিত ভিত্তি গড়ে তোলার কার্যক্রম চলছে বলে জানান তিনি।
আড়ও পড়ুন,বিষাক্ত বাতাসের তালিকায় আবারও ঢাকা, বিশ্বে ১১তম
ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন দুর্যোগের সময় উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় সক্ষম করে তোলা হচ্ছে।শুধু জনবল নয়, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম সংগ্রহেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের তালিকা অনেক বড় হলেও এরই মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম কিনেছে সরকার।এসব সরঞ্জাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, আনসারসহ দুর্যোগ মোকাবিলায় সরাসরি কাজ করা বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আরও কিছু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলোর টেন্ডার প্রক্রিয়াও চলছে।এদিকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি সক্ষমতার পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও প্রস্তুতির আওতায় আনা হচ্ছে। দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে থাকা উদ্ধার ও দুর্যোগ মোকাবিলার সরঞ্জামের তালিকাও তৈরি করা হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী জানান, বড় ধরনের দুর্যোগের সময় প্রয়োজন অনুযায়ী এসব সরঞ্জাম এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা নেওয়া হবে।অর্থাৎ, বড় দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক, আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি সমন্বিত প্রস্তুতি কাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে সরকার।
বিষয় : প্রস্তুত স্বেচ্ছাসেবক

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমিকম্পসহ বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করছে সরকার। দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় গড়ে তোলা হচ্ছে ১ লাখ প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকের একটি শক্তিশালী ভিত্তি। এরই মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে মহিলা আসন-১০-এর সরকারি দলের সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।ভূমিকম্পের মতো বড় দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি এবং উদ্ধার সরঞ্জাম সম্পর্কে জানতে চান নিলুফার চৌধুরী মনি।জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, ভূমিকম্পের পর উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেও কাজ করছে সরকার।প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবকের একটি প্রশিক্ষিত ভিত্তি গড়ে তোলার কার্যক্রম চলছে বলে জানান তিনি।
আড়ও পড়ুন,বিষাক্ত বাতাসের তালিকায় আবারও ঢাকা, বিশ্বে ১১তম
ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন দুর্যোগের সময় উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় সক্ষম করে তোলা হচ্ছে।শুধু জনবল নয়, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম সংগ্রহেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের তালিকা অনেক বড় হলেও এরই মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম কিনেছে সরকার।এসব সরঞ্জাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, আনসারসহ দুর্যোগ মোকাবিলায় সরাসরি কাজ করা বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আরও কিছু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলোর টেন্ডার প্রক্রিয়াও চলছে।এদিকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি সক্ষমতার পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও প্রস্তুতির আওতায় আনা হচ্ছে। দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে থাকা উদ্ধার ও দুর্যোগ মোকাবিলার সরঞ্জামের তালিকাও তৈরি করা হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী জানান, বড় ধরনের দুর্যোগের সময় প্রয়োজন অনুযায়ী এসব সরঞ্জাম এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা নেওয়া হবে।অর্থাৎ, বড় দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক, আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি সমন্বিত প্রস্তুতি কাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন