শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এই আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন বনলতা আবাসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে এ এম হাসান নাসিমকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। ডিবির উপপরিদর্শক বিনয় কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল তদন্তের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন, বাঁশখালীর সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে ৭ বছরের কারাদণ্ড
মামলার নথি অনুযায়ী, চিফ হুইপের একনিষ্ঠ কর্মী পরিচয়দানকারী মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি ফেসবুক আইডি থেকে চিফ হুইপকে ব্ল্যাকমেইলের উদ্দেশ্যে একটি পোস্ট দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অস্ত্র বিক্রেতার স্বীকারোক্তি
ওই পোস্টে আপত্তিকর ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে একই আইডি থেকে বিভিন্ন সময়ে আরও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে চিফ হুইপের ব্যক্তিগত নম্বরে বিভিন্ন স্ক্রিনশট পাঠিয়ে অনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেন।বিষয়টি নিয়ে চিফ হুইপের সঙ্গে আলোচনা শেষে বাদী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এই আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন বনলতা আবাসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে এ এম হাসান নাসিমকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। ডিবির উপপরিদর্শক বিনয় কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল তদন্তের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন, বাঁশখালীর সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে ৭ বছরের কারাদণ্ড
মামলার নথি অনুযায়ী, চিফ হুইপের একনিষ্ঠ কর্মী পরিচয়দানকারী মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি ফেসবুক আইডি থেকে চিফ হুইপকে ব্ল্যাকমেইলের উদ্দেশ্যে একটি পোস্ট দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অস্ত্র বিক্রেতার স্বীকারোক্তি
ওই পোস্টে আপত্তিকর ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে একই আইডি থেকে বিভিন্ন সময়ে আরও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে চিফ হুইপের ব্যক্তিগত নম্বরে বিভিন্ন স্ক্রিনশট পাঠিয়ে অনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেন।বিষয়টি নিয়ে চিফ হুইপের সঙ্গে আলোচনা শেষে বাদী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন