রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের অতীত ও বর্তমান অধিনায়কদের এক আবেগঘন পুনর্মিলনীতে। এই আয়োজনে জাতীয় দলের ইতিহাসে অধিনায়কত্ব করা মোট ৩২ জন ক্রিকেটারকে সম্মাননা দেওয়া হয়, যার মধ্যে ২৭ জন পুরুষ এবং ৫ জন নারী অধিনায়ক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির বর্তমান নেতৃত্বের পাশাপাশি অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা। অতিথিরা অধিনায়কদের হাতে তুলে দেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন সাবেক অধিনায়ক—মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাসুদ পাইলট, ফারুক আহমেদ ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
আরও পড়ুন, নাটকীয় লড়াইয়ে বার্সেলোনাকে বিদায় করে সেমিফাইনালে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ
এই আয়োজনের মূল পরিকল্পনায় ছিলেন তামিম ইকবাল। তিনি ব্যক্তিগতভাবে অধিনায়কদের ফোন করে আমন্ত্রণ জানান, যার ফলে অনুষ্ঠানটি আরও ব্যক্তিগত ও আবেগঘন হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে বর্তমান দলের ক্রিকেটারদের মধ্যেও উপস্থিত ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান এবং লিটন দাস।পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল স্মৃতি, আড্ডা আর পুরোনো দিনের গল্পে ভরা এক ভিন্ন আবহ। সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা একে অপরের সঙ্গে সময় কাটান, ভাগ করে নেন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা।
আরও পড়ুন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নাটকীয় ম্যাচ, রিয়ালকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত বায়ার্নের
একসময় যাদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করেছেন, তাদের সঙ্গেই এখন প্রশাসনিক ভূমিকায় দেখা যায় তামিমকে। তবে সম্পর্কের উষ্ণতা ছিল আগের মতোই—আনুষ্ঠানিকতার বাইরে গিয়ে তিনি সবার সঙ্গে প্রাণখোলা আলোচনায় অংশ নেন। সব মিলিয়ে এই আয়োজনটি শুধু সম্মাননা অনুষ্ঠান নয়, বরং হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের এক আবেগঘন পুনর্মিলনী।
বিষয় : মিলনমেলা বিসিবি ক্যাপ্টেনস কার্ড

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের অতীত ও বর্তমান অধিনায়কদের এক আবেগঘন পুনর্মিলনীতে। এই আয়োজনে জাতীয় দলের ইতিহাসে অধিনায়কত্ব করা মোট ৩২ জন ক্রিকেটারকে সম্মাননা দেওয়া হয়, যার মধ্যে ২৭ জন পুরুষ এবং ৫ জন নারী অধিনায়ক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির বর্তমান নেতৃত্বের পাশাপাশি অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা। অতিথিরা অধিনায়কদের হাতে তুলে দেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন সাবেক অধিনায়ক—মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাসুদ পাইলট, ফারুক আহমেদ ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
আরও পড়ুন, নাটকীয় লড়াইয়ে বার্সেলোনাকে বিদায় করে সেমিফাইনালে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ
এই আয়োজনের মূল পরিকল্পনায় ছিলেন তামিম ইকবাল। তিনি ব্যক্তিগতভাবে অধিনায়কদের ফোন করে আমন্ত্রণ জানান, যার ফলে অনুষ্ঠানটি আরও ব্যক্তিগত ও আবেগঘন হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে বর্তমান দলের ক্রিকেটারদের মধ্যেও উপস্থিত ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান এবং লিটন দাস।পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল স্মৃতি, আড্ডা আর পুরোনো দিনের গল্পে ভরা এক ভিন্ন আবহ। সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা একে অপরের সঙ্গে সময় কাটান, ভাগ করে নেন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা।
আরও পড়ুন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নাটকীয় ম্যাচ, রিয়ালকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত বায়ার্নের
একসময় যাদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করেছেন, তাদের সঙ্গেই এখন প্রশাসনিক ভূমিকায় দেখা যায় তামিমকে। তবে সম্পর্কের উষ্ণতা ছিল আগের মতোই—আনুষ্ঠানিকতার বাইরে গিয়ে তিনি সবার সঙ্গে প্রাণখোলা আলোচনায় অংশ নেন। সব মিলিয়ে এই আয়োজনটি শুধু সম্মাননা অনুষ্ঠান নয়, বরং হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের এক আবেগঘন পুনর্মিলনী।

আপনার মতামত লিখুন