দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দামে আবারও আগুন। মুরগি, ভোজ্যতেল, চিনি, এলপিজি গ্যাস ও সবজিসহ প্রায় সব পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি চাপ পড়েছে প্রোটিনের প্রধান উৎস মুরগির ওপর। সোনালি মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৩০ থেকে ৪৫০ টাকায়, যা এক মাস আগেও ছিল ২৭০ থেকে ৩২০ টাকার মধ্যে। ব্রয়লারও পৌঁছেছে ২০০ টাকার কাছাকাছি। এর প্রভাব পড়েছে গরুর মাংসের বাজারেও—৮০০ টাকার নিচে মিলছে না।এদিকে ভোজ্যতেলের বাজারেও চলছে সংকট। খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে লিটারপ্রতি প্রায় ১৯৫ টাকায়,
আরো পড়ুন , পুঁজিবাজারে চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে ডিএসইর সঙ্গে সিইএবি বৈঠক
আর বোতলজাত তেল নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। চিনির দামও বেড়ে কেজিতে ১০৫ টাকায় পৌঁছেছে।সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে এলপিজি গ্যাসে। ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৭২৮ টাকায়, তবে বাজারে তা ২,০০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।ক্রেতারা বলছেন, বাধ্য হয়ে তারা এখন প্রয়োজনের তুলনায় কম পণ্য কিনছেন, কেউ কেউ কম দামের বিকল্প খুঁজছেন।বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ সংকট এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।নিত্যপণ্যের লাগামহীন এই ঊর্ধ্বগতিতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষ—যাদের জন্য প্রতিদিনের বাজার এখন হয়ে উঠছে কঠিন সংগ্রাম।
বিষয় : আগুন অস্বাভাবিক পণ্যের দাম

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দামে আবারও আগুন। মুরগি, ভোজ্যতেল, চিনি, এলপিজি গ্যাস ও সবজিসহ প্রায় সব পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি চাপ পড়েছে প্রোটিনের প্রধান উৎস মুরগির ওপর। সোনালি মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৩০ থেকে ৪৫০ টাকায়, যা এক মাস আগেও ছিল ২৭০ থেকে ৩২০ টাকার মধ্যে। ব্রয়লারও পৌঁছেছে ২০০ টাকার কাছাকাছি। এর প্রভাব পড়েছে গরুর মাংসের বাজারেও—৮০০ টাকার নিচে মিলছে না।এদিকে ভোজ্যতেলের বাজারেও চলছে সংকট। খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে লিটারপ্রতি প্রায় ১৯৫ টাকায়,
আরো পড়ুন , পুঁজিবাজারে চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে ডিএসইর সঙ্গে সিইএবি বৈঠক
আর বোতলজাত তেল নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। চিনির দামও বেড়ে কেজিতে ১০৫ টাকায় পৌঁছেছে।সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে এলপিজি গ্যাসে। ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৭২৮ টাকায়, তবে বাজারে তা ২,০০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।ক্রেতারা বলছেন, বাধ্য হয়ে তারা এখন প্রয়োজনের তুলনায় কম পণ্য কিনছেন, কেউ কেউ কম দামের বিকল্প খুঁজছেন।বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ সংকট এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।নিত্যপণ্যের লাগামহীন এই ঊর্ধ্বগতিতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষ—যাদের জন্য প্রতিদিনের বাজার এখন হয়ে উঠছে কঠিন সংগ্রাম।

আপনার মতামত লিখুন