ইরান এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ফোনালাপ করেছেন। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে হওয়া এই আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমিয়ে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই মন্ত্রী আলাপে সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা নিয়ে আলাপ করেছেন। এছাড়া এ অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃস্থাপনের জন্য উত্তেজনা কমানোর উপায় নিয়েও আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন, ইরানের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক সাফল্যের দাবি
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হলো। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করে। এই হামলার ফলে সৌদি আরবের একমাত্র অপরিশোধিত তেল রপ্তানির পথ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত মাসে প্রিন্স ফয়সাল সতর্ক করে বলেন, ইরানের হামলা সৌদি আরব ও প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যেকোনো বিশ্বাসকে ধ্বংস করেছে। তিনি আরও বলেন, ইরান কখনও সৌদি আরবের কৌশলগত অংশীদার ছিল না।
আরও পড়ুন, সুদানে ড্রোন হামলা শিশুসহ ১২ জনের মৃত্যু
ফোনালাপের এই উদ্যোগ অঞ্চলটিতে উত্তেজনা কমাতে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুনভাবে স্থাপন করতে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার সম্ভাবনা বাড়াতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে।
বিষয় : ইরান ফোনালাপ যুদ্ধবিরতি সৌদি

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
ইরান এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ফোনালাপ করেছেন। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে হওয়া এই আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমিয়ে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই মন্ত্রী আলাপে সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা নিয়ে আলাপ করেছেন। এছাড়া এ অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃস্থাপনের জন্য উত্তেজনা কমানোর উপায় নিয়েও আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন, ইরানের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক সাফল্যের দাবি
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হলো। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করে। এই হামলার ফলে সৌদি আরবের একমাত্র অপরিশোধিত তেল রপ্তানির পথ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত মাসে প্রিন্স ফয়সাল সতর্ক করে বলেন, ইরানের হামলা সৌদি আরব ও প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যেকোনো বিশ্বাসকে ধ্বংস করেছে। তিনি আরও বলেন, ইরান কখনও সৌদি আরবের কৌশলগত অংশীদার ছিল না।
আরও পড়ুন, সুদানে ড্রোন হামলা শিশুসহ ১২ জনের মৃত্যু
ফোনালাপের এই উদ্যোগ অঞ্চলটিতে উত্তেজনা কমাতে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুনভাবে স্থাপন করতে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার সম্ভাবনা বাড়াতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন