আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, গত ১৭ বছরে সুপ্রিম কোর্টে এমন বিচারক নিয়োগ হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট ছিল এবং তা বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬ পাসের সময় এ মন্তব্য করেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, অতীতে বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছতার অভাব ছিল এবং এতে বিচার বিভাগের ওপর মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার এখন নতুন আইন
প্রণয়নের মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে চায়।তিনি জানান, বিচারক নিয়োগে একটি সাংবিধানিক কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা পুরো প্রক্রিয়াকে পুনর্মূল্যায়ন করবে এবং একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করবে।আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্টকে মানুষের ন্যায়বিচারের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমরা চাই না অতীতের মতো বিতর্কিত নিয়োগ আবার ঘটুক। আমরা চাই একটি স্বাধীন, স্বচ্ছ ও কার্যকর বিচার
বিভাগ।”এ সময় তিনি তার আগের দায়িত্বের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তিনি তখন সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, যা ছিল তার পেশাগত দায়িত্বের অংশ।মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নীতি হলো—বিচার বিভাগে নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।বিশ্লেষকদের মতে, বিচার বিভাগের সংস্কার ও আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকারের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।জাতীয় সংসদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬ পাসের সময়
আরো পড়ুন , এনসিপি নেত্রী রাফিয়া রাফির মৃত্যু
বিচারক নিয়োগ নিয়ে অতীতের তীব্র সমালোচনা করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের শাসনামলে বিচার বিভাগে এমন নিয়োগ হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দলীয় ঘনিষ্ঠদের বসানো হয়েছে। এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এসব নিয়োগের ফলে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং জনগণের আস্থায় ধাক্কা লেগেছে।তিনি জানান, বর্তমান সরকার বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে নতুনভাবে সাজাতে চায়। এ জন্য একটি
সাংবিধানিক কমিটি গঠন করে পুরো বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।আইনমন্ত্রী বলেন, “আমরা এমন একটি বিচার বিভাগ চাই, যা হবে স্বচ্ছ, স্বাধীন এবং জবাবদিহিমূলক।”তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগ যেন জনগণের ন্যায়বিচারের নির্ভরযোগ্য জায়গা হয়ে ওঠে, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।মন্ত্রী তার আগের দায়িত্বের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তিনি তখন সরকারের পক্ষে আইনগত অবস্থান উপস্থাপন করেছিলেন, যা ছিল পেশাগত দায়িত্বের
অংশ।তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের পাবলিক পলিসি হলো বিচার বিভাগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিচার বিভাগে সংস্কার ও স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ দেশের আইনের শাসন শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর কাঠামোই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
বিষয় : রাজনৈতিক আইন, বিচার প্রভাব স্পষ্ট ছিল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, গত ১৭ বছরে সুপ্রিম কোর্টে এমন বিচারক নিয়োগ হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট ছিল এবং তা বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬ পাসের সময় এ মন্তব্য করেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, অতীতে বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছতার অভাব ছিল এবং এতে বিচার বিভাগের ওপর মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার এখন নতুন আইন
প্রণয়নের মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে চায়।তিনি জানান, বিচারক নিয়োগে একটি সাংবিধানিক কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা পুরো প্রক্রিয়াকে পুনর্মূল্যায়ন করবে এবং একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করবে।আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্টকে মানুষের ন্যায়বিচারের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমরা চাই না অতীতের মতো বিতর্কিত নিয়োগ আবার ঘটুক। আমরা চাই একটি স্বাধীন, স্বচ্ছ ও কার্যকর বিচার
বিভাগ।”এ সময় তিনি তার আগের দায়িত্বের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তিনি তখন সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, যা ছিল তার পেশাগত দায়িত্বের অংশ।মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নীতি হলো—বিচার বিভাগে নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।বিশ্লেষকদের মতে, বিচার বিভাগের সংস্কার ও আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকারের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।জাতীয় সংসদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬ পাসের সময়
আরো পড়ুন , এনসিপি নেত্রী রাফিয়া রাফির মৃত্যু
বিচারক নিয়োগ নিয়ে অতীতের তীব্র সমালোচনা করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের শাসনামলে বিচার বিভাগে এমন নিয়োগ হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দলীয় ঘনিষ্ঠদের বসানো হয়েছে। এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এসব নিয়োগের ফলে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং জনগণের আস্থায় ধাক্কা লেগেছে।তিনি জানান, বর্তমান সরকার বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে নতুনভাবে সাজাতে চায়। এ জন্য একটি
সাংবিধানিক কমিটি গঠন করে পুরো বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।আইনমন্ত্রী বলেন, “আমরা এমন একটি বিচার বিভাগ চাই, যা হবে স্বচ্ছ, স্বাধীন এবং জবাবদিহিমূলক।”তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগ যেন জনগণের ন্যায়বিচারের নির্ভরযোগ্য জায়গা হয়ে ওঠে, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।মন্ত্রী তার আগের দায়িত্বের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তিনি তখন সরকারের পক্ষে আইনগত অবস্থান উপস্থাপন করেছিলেন, যা ছিল পেশাগত দায়িত্বের
অংশ।তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের পাবলিক পলিসি হলো বিচার বিভাগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিচার বিভাগে সংস্কার ও স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ দেশের আইনের শাসন শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর কাঠামোই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আপনার মতামত লিখুন