ইসলামাবাদে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ইরান কখনোই অস্বীকৃতি জানায়নি—এমন দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে।আরাগচি জানান, যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছে তেহরান।
এমনকি ইসলামাবাদ সফর নিয়েও তাদের কোনো আপত্তি নেই। পাকিস্তান সরকারের এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, তারা কেবল আলোচনার জন্য আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। বরং তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ‘অবৈধ যুদ্ধ’
আরো পড়ুন , আফগানিস্তানে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প বাড়ি ধসে ৮ নিহত
বন্ধে একটি স্থায়ী ও কার্যকর সমাধানই চায় তেহরান।এদিকে, ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর আগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি নয় ইরান। দেশটির কর্মকর্তারা মনে করেন, ওয়াশিংটনের আলোচনার প্রস্তাব আসলে একটি কৌশল, যা ভবিষ্যতে সামরিক
হামলার পথ তৈরি করতে পারে।এই জটিল কূটনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই পাকিস্তান শান্তি প্রচেষ্টার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বৈঠকের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে দেশটি।বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনায় অংশ নেয়, তাহলে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামাবাদে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ইরান কখনোই অস্বীকৃতি জানায়নি—এমন দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে।আরাগচি জানান, যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছে তেহরান।
এমনকি ইসলামাবাদ সফর নিয়েও তাদের কোনো আপত্তি নেই। পাকিস্তান সরকারের এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, তারা কেবল আলোচনার জন্য আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। বরং তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ‘অবৈধ যুদ্ধ’
আরো পড়ুন , আফগানিস্তানে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প বাড়ি ধসে ৮ নিহত
বন্ধে একটি স্থায়ী ও কার্যকর সমাধানই চায় তেহরান।এদিকে, ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর আগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি নয় ইরান। দেশটির কর্মকর্তারা মনে করেন, ওয়াশিংটনের আলোচনার প্রস্তাব আসলে একটি কৌশল, যা ভবিষ্যতে সামরিক
হামলার পথ তৈরি করতে পারে।এই জটিল কূটনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই পাকিস্তান শান্তি প্রচেষ্টার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বৈঠকের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে দেশটি।বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনায় অংশ নেয়, তাহলে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন