সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের সঙ্গে ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্যে দেখা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের সংস্কৃতিমন্ত্রীর অফিসে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তারা দুই দেশের বিভিন্ন স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বিশেষ করে সাংস্কৃতিক বিষয়ে দুই দেশ যাতে একসঙ্গে কাজ করে, সে সম্পর্কে তারা কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, “সংস্কৃতি বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আমাদের আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা। ১৯৭৯ সালে আমরা সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তি করেছিলাম এবং ২০২৫-২০২৮ সালের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি তৈরি করেছি।
আরও পড়ুন, সংসদে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়: ‘মিথ্যা’ শব্দ ঘিরে বিতর্ক
এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক আরও ভালো হবে।” মন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পী, গায়ক, লোকশিল্পী এবং কারুশিল্পীদের বিনিময় করা প্রয়োজন। পাকিস্তান থেকে পুরাকীর্তি সংরক্ষণের প্রশিক্ষণ নেওয়ার প্রস্তাবকে মন্ত্রী সমর্থন করেন। মন্ত্রী বলেন, “আমরা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতির আদান-প্রদান বাড়াতে চাই। ধ্রুপদি সংগীত এবং লোকসংগীতের শিল্পীদের নিয়মিত বিনিময় কর্মসূচি দুই দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করবে।”
আরও পড়ুন, সংসদ প্রাঙ্গণে পোশাক নিয়ে বিতর্ক, তদন্ত চাইলেন এমপি হানজালা
পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, “আমরা দুই দেশের চিত্রশিল্পী ও কারুশিল্পীদের অংশগ্রহণে যৌথ প্রদর্শনী আয়োজন করতে চাই। এছাড়াও দুই দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি এবং ফেলোশিপের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আমরা আলোচনা করেছি।” প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতির আদান-প্রদান আমাদের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।” এই বৈঠকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলাসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : বৈঠক সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের সঙ্গে ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্যে দেখা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের সংস্কৃতিমন্ত্রীর অফিসে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তারা দুই দেশের বিভিন্ন স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বিশেষ করে সাংস্কৃতিক বিষয়ে দুই দেশ যাতে একসঙ্গে কাজ করে, সে সম্পর্কে তারা কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, “সংস্কৃতি বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আমাদের আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা। ১৯৭৯ সালে আমরা সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তি করেছিলাম এবং ২০২৫-২০২৮ সালের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি তৈরি করেছি।
আরও পড়ুন, সংসদে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়: ‘মিথ্যা’ শব্দ ঘিরে বিতর্ক
এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক আরও ভালো হবে।” মন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পী, গায়ক, লোকশিল্পী এবং কারুশিল্পীদের বিনিময় করা প্রয়োজন। পাকিস্তান থেকে পুরাকীর্তি সংরক্ষণের প্রশিক্ষণ নেওয়ার প্রস্তাবকে মন্ত্রী সমর্থন করেন। মন্ত্রী বলেন, “আমরা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতির আদান-প্রদান বাড়াতে চাই। ধ্রুপদি সংগীত এবং লোকসংগীতের শিল্পীদের নিয়মিত বিনিময় কর্মসূচি দুই দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করবে।”
আরও পড়ুন, সংসদ প্রাঙ্গণে পোশাক নিয়ে বিতর্ক, তদন্ত চাইলেন এমপি হানজালা
পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, “আমরা দুই দেশের চিত্রশিল্পী ও কারুশিল্পীদের অংশগ্রহণে যৌথ প্রদর্শনী আয়োজন করতে চাই। এছাড়াও দুই দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি এবং ফেলোশিপের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আমরা আলোচনা করেছি।” প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতির আদান-প্রদান আমাদের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।” এই বৈঠকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলাসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন