ইরানে কয়েক সপ্তাহের স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। তবে এখনো
এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য ওঠে এসেছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগন কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরানে
স্থল অভিযানের বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করে রেখেছে।
তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা ‘যুদ্ধের নতুন একটি পর্যায়’ হবে।
যেকোনো স্থল অভিযান পূর্ণ আক্রমণের মতো হবে না।
এতে স্পেশাল অপারেশন বাহিনী ও সাধারণ পদাতিক সেনার অভিযান অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
আরো পড়ুন , হরমুজ প্রণালি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতিসংঘের পদক্ষেপ
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ৪
হাজারের বেশি মেরিন সেনা জাহাজে উপসাগরের
দিকে এগোচ্ছে, ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্যারাট্রুপাররা প্রস্তুত আছে এবং অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের
বিষয়ে আলোচনা চলছে।
আলোচনায় ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ এবং হরমুজ প্রণালির কাছে উপকূলীয় অভিযানকে
লক্ষ্যবস্তু হিসেবে রাখার কথা বলা হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য অভিযান ‘মাস নয়, সপ্তাহব্যাপী’ হতে পারে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন,
‘সর্বোচ্চ নমনীয়তা নিশ্চিত করতে পেন্টাগনকে প্রস্তুত
করা তার কাজ। এর মানে এই নয় যে প্রেসিডেন্ট কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
ইরানে কয়েক সপ্তাহের স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। তবে এখনো
এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য ওঠে এসেছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগন কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরানে
স্থল অভিযানের বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করে রেখেছে।
তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা ‘যুদ্ধের নতুন একটি পর্যায়’ হবে।
যেকোনো স্থল অভিযান পূর্ণ আক্রমণের মতো হবে না।
এতে স্পেশাল অপারেশন বাহিনী ও সাধারণ পদাতিক সেনার অভিযান অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
আরো পড়ুন , হরমুজ প্রণালি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতিসংঘের পদক্ষেপ
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ৪
হাজারের বেশি মেরিন সেনা জাহাজে উপসাগরের
দিকে এগোচ্ছে, ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্যারাট্রুপাররা প্রস্তুত আছে এবং অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের
বিষয়ে আলোচনা চলছে।
আলোচনায় ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ এবং হরমুজ প্রণালির কাছে উপকূলীয় অভিযানকে
লক্ষ্যবস্তু হিসেবে রাখার কথা বলা হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য অভিযান ‘মাস নয়, সপ্তাহব্যাপী’ হতে পারে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন,
‘সর্বোচ্চ নমনীয়তা নিশ্চিত করতে পেন্টাগনকে প্রস্তুত
করা তার কাজ। এর মানে এই নয় যে প্রেসিডেন্ট কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

আপনার মতামত লিখুন