সিলেটের ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনা হযরত শাহজালাল দরগাহ প্রাঙ্গণে রাজনৈতিক শোডাউন ও স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।রাতে তারাবিহর নামাজের সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দরগাহ প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য- তাদের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপুলসংখ্যক সমর্থক দরগাহ এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে নারী ইবাদতখানার ছাদে উঠে সারজিস আলম বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেন। উপস্থিত অন্য নেতাকর্মীরাও স্লোগানে অংশ নেন।
আরো পড়ুন , গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম
স্লোগানগুলোর মধ্যে ছিল- ‘দিল্লি না ঢাকা’, ‘আজাদি না গোলামি’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবর’, ‘দালালি না রাজপথ’, ‘আপস না সংগ্রাম’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’ ইত্যাদি।ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই পবিত্র দরগাহ প্রাঙ্গণে রাজনৈতিক স্লোগানকে অনভিপ্রেত ও অসম্মানজনক আখ্যা দেন।সিলেট জেলা বিএনপির উপ-দপ্তর সম্পাদক মাহবুব আলম ফেসবুকে এক পোস্টে অভিযোগ করেন- ‘একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছে।’তার ভাষায়, ‘দরগাহ মসজিদের পবিত্র প্রাঙ্গণে স্লোগান দিয়ে পরিবেশ উত্তপ্ত করা কোনো শিষ্টাচারের পরিচয় নয় এবং এ ধরনের প্রবণতা রোধে সচেতন নাগরিক সমাজকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।’

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
সিলেটের ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনা হযরত শাহজালাল দরগাহ প্রাঙ্গণে রাজনৈতিক শোডাউন ও স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।রাতে তারাবিহর নামাজের সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দরগাহ প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য- তাদের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপুলসংখ্যক সমর্থক দরগাহ এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে নারী ইবাদতখানার ছাদে উঠে সারজিস আলম বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেন। উপস্থিত অন্য নেতাকর্মীরাও স্লোগানে অংশ নেন।
আরো পড়ুন , গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম
স্লোগানগুলোর মধ্যে ছিল- ‘দিল্লি না ঢাকা’, ‘আজাদি না গোলামি’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবর’, ‘দালালি না রাজপথ’, ‘আপস না সংগ্রাম’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’ ইত্যাদি।ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই পবিত্র দরগাহ প্রাঙ্গণে রাজনৈতিক স্লোগানকে অনভিপ্রেত ও অসম্মানজনক আখ্যা দেন।সিলেট জেলা বিএনপির উপ-দপ্তর সম্পাদক মাহবুব আলম ফেসবুকে এক পোস্টে অভিযোগ করেন- ‘একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছে।’তার ভাষায়, ‘দরগাহ মসজিদের পবিত্র প্রাঙ্গণে স্লোগান দিয়ে পরিবেশ উত্তপ্ত করা কোনো শিষ্টাচারের পরিচয় নয় এবং এ ধরনের প্রবণতা রোধে সচেতন নাগরিক সমাজকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন