ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কা ঘনীভূত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি কাজে যুক্ত নয় এমন সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ইসরায়েলের ত্যাগ করতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু থাকা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ‘ইসরায়েল ত্যাগের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত’। একই সঙ্গে ইসরায়েলে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়।তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হওয়ার পর এই সতর্কতা জারি করা হয়। জানানো হয়েছে, আগামী সপ্তাহে আরও আলোচনা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে দুটি রণতরীসহ এক ডজন যুদ্ধজাহাজ, এরসঙ্গে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান জড়ো করেছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হলে ট্রাম্প হামলার নির্দেশ দেবেন। এরআগে ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবহিত করেন যারা ইসরায়েল ছাড়তে চান তারা যেন আজই চলে যান।
আরও পড়ুন, ইরান-ইরাক সীমান্তে ৪.৬ মাত্রার ভূমিকম্প
দূতাবাসের স্টাফদের কাছে পাঠানো ইমেইলে হুকাবি বলেছেন, যে দেশেরই বিমানের টিকিটের পাবেন সেখানকার টিকিট কাটুন। এরপর সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাবেন। কিন্তু আগে ইসরায়েল থেকে বের হওয়ার ব্যবস্থা করুন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে শর্ত দিচ্ছে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে। এমনকি দেশটির প্রধান তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্র ভেঙে ফেলতেও বলেছে তারা। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরানের সঙ্গে যদি এখন কোনো চুক্তি হয় তাহলে এটির মেয়াদ অনির্দিষ্টকাল হবে। তবে ইরান একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ওপর জোর দিচ্ছে।
বিষয় : ইরান সতর্কবার্তা

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কা ঘনীভূত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি কাজে যুক্ত নয় এমন সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ইসরায়েলের ত্যাগ করতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু থাকা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ‘ইসরায়েল ত্যাগের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত’। একই সঙ্গে ইসরায়েলে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়।তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হওয়ার পর এই সতর্কতা জারি করা হয়। জানানো হয়েছে, আগামী সপ্তাহে আরও আলোচনা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে দুটি রণতরীসহ এক ডজন যুদ্ধজাহাজ, এরসঙ্গে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান জড়ো করেছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হলে ট্রাম্প হামলার নির্দেশ দেবেন। এরআগে ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবহিত করেন যারা ইসরায়েল ছাড়তে চান তারা যেন আজই চলে যান।
আরও পড়ুন, ইরান-ইরাক সীমান্তে ৪.৬ মাত্রার ভূমিকম্প
দূতাবাসের স্টাফদের কাছে পাঠানো ইমেইলে হুকাবি বলেছেন, যে দেশেরই বিমানের টিকিটের পাবেন সেখানকার টিকিট কাটুন। এরপর সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাবেন। কিন্তু আগে ইসরায়েল থেকে বের হওয়ার ব্যবস্থা করুন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে শর্ত দিচ্ছে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে। এমনকি দেশটির প্রধান তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্র ভেঙে ফেলতেও বলেছে তারা। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরানের সঙ্গে যদি এখন কোনো চুক্তি হয় তাহলে এটির মেয়াদ অনির্দিষ্টকাল হবে। তবে ইরান একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ওপর জোর দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন