গত দেড় দশকে দেশের অন্যতম আলোচিত ও সফল নায়িকা মাহিয়া মাহি। সিনেমার বাইরেও ঘটনাবহুল তার ব্যক্তিজীবন। জড়িয়েছেন রাজনীতিতেও। অবশেষে পাড়ি জমিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে স্থায়ী হওয়ার জন্য আবেদন করেন মাহি। তবে ক’দিন আগেই কাজগপত্রের জটিলতার কারণে তার আবেদন বাতিল হয়েছে। যদিও ফের আবেদন করার চেষ্টা করছেন তিনি। তবে ভাবেননি এতটা বেগ পেতে হবে। ভেবেছিলেন গ্রিনকার্ড পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্বামী-পুত্রসহ থিতু হবেন। এদিকে, পুত্রের সঙ্গে ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে দেখা নেই তার। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে মাহির স্বামী রকিব সরকার ও তার পুত্র অবস্থান করছেন ভারতে। আর নায়িকা যুক্তরাষ্ট্রে। জানা গেছে, মাহি যুক্তরাষ্ট্র্রে থাকছেন চিত্রনায়ক কাজী মারুফের বাসায়। সেখান থেকে মারুফের স্ত্রীর সঙ্গে প্রায়ই ছবি শেয়ার করছেন নায়িকা। মাহির জীবন ফিল্মি ঘটনাকেও হার মানায়।
আরো পড়ুন , ট্রলের শিকার নুসরাত
২০১২ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ‘ভালোবাসার রঙ’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু মাহির। এরপর একই ব্যানারে বেশ কিছু ব্যবসাসফল ছবি উপহার দেন। নায়ক বাপ্পীর সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করতে গিয়ে জড়ান সম্পর্কে। তবে সে সম্পর্ক বেশিদিন টিকেনি। এরপর জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজের সঙ্গে সম্পর্কেরও গুঞ্জন ছড়ায় মাহির। পরবর্তীতে দ্বন্দ্বের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে অন্য ব্যানারে কাজ শুরু করেন নায়িকা। ২০১৬ সালে মাহমুদ পারভেজ অপুর সঙ্গে বিয়ে হয় তার। ভালোই চলছিল। কিন্তু বোঝাপড়ায় অমিলের কারণ দেখিয়ে ২০২১ সালে মাহি ডিভোর্স দেন অপুকে। একই বছর গাজীপুরের আওয়ামী লীগের তরুণ নেতা রকিব সরকারকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের দুই বছর পরই রাজনীতিতে জড়ান তিনি। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরে মাহি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দল মনোনয়ন দেয়নি তাকে। এরপর ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বিপুল ব্যবধানে হারেন। আক্ষরিক অর্থে সেখানেই জবনিকা নামে তার রাজনীতির। পরবর্তীতে ফের সিনেমায় মনোযোগী হতে চেয়েছিলেন মাহি।
বিষয় : অন্যতম সফল নায়িকা ব্যক্তিজীবন

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গত দেড় দশকে দেশের অন্যতম আলোচিত ও সফল নায়িকা মাহিয়া মাহি। সিনেমার বাইরেও ঘটনাবহুল তার ব্যক্তিজীবন। জড়িয়েছেন রাজনীতিতেও। অবশেষে পাড়ি জমিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে স্থায়ী হওয়ার জন্য আবেদন করেন মাহি। তবে ক’দিন আগেই কাজগপত্রের জটিলতার কারণে তার আবেদন বাতিল হয়েছে। যদিও ফের আবেদন করার চেষ্টা করছেন তিনি। তবে ভাবেননি এতটা বেগ পেতে হবে। ভেবেছিলেন গ্রিনকার্ড পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্বামী-পুত্রসহ থিতু হবেন। এদিকে, পুত্রের সঙ্গে ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে দেখা নেই তার। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে মাহির স্বামী রকিব সরকার ও তার পুত্র অবস্থান করছেন ভারতে। আর নায়িকা যুক্তরাষ্ট্রে। জানা গেছে, মাহি যুক্তরাষ্ট্র্রে থাকছেন চিত্রনায়ক কাজী মারুফের বাসায়। সেখান থেকে মারুফের স্ত্রীর সঙ্গে প্রায়ই ছবি শেয়ার করছেন নায়িকা। মাহির জীবন ফিল্মি ঘটনাকেও হার মানায়।
আরো পড়ুন , ট্রলের শিকার নুসরাত
২০১২ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ‘ভালোবাসার রঙ’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু মাহির। এরপর একই ব্যানারে বেশ কিছু ব্যবসাসফল ছবি উপহার দেন। নায়ক বাপ্পীর সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করতে গিয়ে জড়ান সম্পর্কে। তবে সে সম্পর্ক বেশিদিন টিকেনি। এরপর জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজের সঙ্গে সম্পর্কেরও গুঞ্জন ছড়ায় মাহির। পরবর্তীতে দ্বন্দ্বের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে অন্য ব্যানারে কাজ শুরু করেন নায়িকা। ২০১৬ সালে মাহমুদ পারভেজ অপুর সঙ্গে বিয়ে হয় তার। ভালোই চলছিল। কিন্তু বোঝাপড়ায় অমিলের কারণ দেখিয়ে ২০২১ সালে মাহি ডিভোর্স দেন অপুকে। একই বছর গাজীপুরের আওয়ামী লীগের তরুণ নেতা রকিব সরকারকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের দুই বছর পরই রাজনীতিতে জড়ান তিনি। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরে মাহি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দল মনোনয়ন দেয়নি তাকে। এরপর ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বিপুল ব্যবধানে হারেন। আক্ষরিক অর্থে সেখানেই জবনিকা নামে তার রাজনীতির। পরবর্তীতে ফের সিনেমায় মনোযোগী হতে চেয়েছিলেন মাহি।

আপনার মতামত লিখুন