ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে জামায়াতের সাম্প্রতিক উত্থান মূলত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের দমন-পীড়নের ফল। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যখন গণতন্ত্র ও জনগণের কণ্ঠ চাপা পড়া ঠিক তখন উগ্রবাদী শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আজকের জামায়াতের উত্থান তারই প্রতিফলন। এটি সম্পূর্ণভাবে আওয়ামী লীগের দমনমূলক শাসন এবং বিরোধী দলকে কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার কারণে হয়েছে।
আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি আরও বলেন, জনগণ ইতোমধ্যেই জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু, সৎ ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতির মাধ্যমে তাদের অপপ্রবণতাকে রুখে দিতে সক্ষম হবে। জাতীয় সরকার গঠন বিষয়ে তিনি জানান, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যারা বিএনপির সঙ্গে আন্দোলন করেছে, তাদের নিয়ে আমরা ইনশাআল্লাহ সরকার গঠন করব। জুলাই সনদের যে ৩১ দফা আমাদের কমিটমেন্টে আছে, তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।
আরও পড়ুন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবীদের বিস্তৃত জয়
রংপুর বিভাগে জামায়াতের বেশি আসন পাওয়ার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, এটার বিভিন্ন কারণ আছে। তবে বৃহত্তর দিনাজপুরে জামায়াত একটিও আসন পায়নি। সেখানে ৩ জেলা ও ১১টি আসন বিএনপির হয়েছে। আমরা আশাবাদী, জনগণের সঙ্গে সাংগঠনিক কাজের মাধ্যমে জামায়াতের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সাবেক সহসভাপতি আবু তাহের, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : বিএনপি মির্জা ফখরুল

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে জামায়াতের সাম্প্রতিক উত্থান মূলত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের দমন-পীড়নের ফল। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যখন গণতন্ত্র ও জনগণের কণ্ঠ চাপা পড়া ঠিক তখন উগ্রবাদী শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আজকের জামায়াতের উত্থান তারই প্রতিফলন। এটি সম্পূর্ণভাবে আওয়ামী লীগের দমনমূলক শাসন এবং বিরোধী দলকে কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার কারণে হয়েছে।
আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি আরও বলেন, জনগণ ইতোমধ্যেই জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু, সৎ ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতির মাধ্যমে তাদের অপপ্রবণতাকে রুখে দিতে সক্ষম হবে। জাতীয় সরকার গঠন বিষয়ে তিনি জানান, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যারা বিএনপির সঙ্গে আন্দোলন করেছে, তাদের নিয়ে আমরা ইনশাআল্লাহ সরকার গঠন করব। জুলাই সনদের যে ৩১ দফা আমাদের কমিটমেন্টে আছে, তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।
আরও পড়ুন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবীদের বিস্তৃত জয়
রংপুর বিভাগে জামায়াতের বেশি আসন পাওয়ার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, এটার বিভিন্ন কারণ আছে। তবে বৃহত্তর দিনাজপুরে জামায়াত একটিও আসন পায়নি। সেখানে ৩ জেলা ও ১১টি আসন বিএনপির হয়েছে। আমরা আশাবাদী, জনগণের সঙ্গে সাংগঠনিক কাজের মাধ্যমে জামায়াতের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সাবেক সহসভাপতি আবু তাহের, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন