ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে চলছে জমজমাট প্রচার। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না আওয়ামী লীগ। এই অনুপস্থিতির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে সেই ২৮টি সংসদীয় আসনে, যেখানে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কখনও পরাজিত হয়নি। দলটির প্রার্থী না থাকায় এসব আসনে রাজনৈতিক সমীকরণ একেবারেই বদলে গেছে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সহিংসতা ও হত্যা মামলার পর এসব এলাকার বহু আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী এখনও পলাতক কিংবা আত্মগোপনে রয়েছেন।
আরো পড়ুন , ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক দেশের জন্য সব ধর্মকে সম্মান : জামায়াত আমির
যারা এলাকায় অবস্থান করছেন, তাদের বড় একটি অংশ নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার কারণে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেউ কেউ আবার স্থানীয় বাস্তবতায় বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বাধ্য হয়ে ভোটে যেতে পারেন।
এই প্রেক্ষাপটে ২৮টি আসনের বেশির ভাগেই ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার লড়াই দেখা গেলেও মাঠপর্যায়ের হিসাব অনুযায়ী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। তবে আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংকের একটি বড় অংশ এখনও সিদ্ধান্তহীন থাকায় শেষ মুহূর্তে ভোটের ফল কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে চলছে জমজমাট প্রচার। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না আওয়ামী লীগ। এই অনুপস্থিতির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে সেই ২৮টি সংসদীয় আসনে, যেখানে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কখনও পরাজিত হয়নি। দলটির প্রার্থী না থাকায় এসব আসনে রাজনৈতিক সমীকরণ একেবারেই বদলে গেছে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সহিংসতা ও হত্যা মামলার পর এসব এলাকার বহু আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী এখনও পলাতক কিংবা আত্মগোপনে রয়েছেন।
আরো পড়ুন , ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক দেশের জন্য সব ধর্মকে সম্মান : জামায়াত আমির
যারা এলাকায় অবস্থান করছেন, তাদের বড় একটি অংশ নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার কারণে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেউ কেউ আবার স্থানীয় বাস্তবতায় বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বাধ্য হয়ে ভোটে যেতে পারেন।
এই প্রেক্ষাপটে ২৮টি আসনের বেশির ভাগেই ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার লড়াই দেখা গেলেও মাঠপর্যায়ের হিসাব অনুযায়ী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। তবে আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংকের একটি বড় অংশ এখনও সিদ্ধান্তহীন থাকায় শেষ মুহূর্তে ভোটের ফল কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন