এনসিপির কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী ও দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, মাত্র চার দিন হলো জাতীয় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা চলছে। এরই মধ্যে আমাদের ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপি প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীব ভাইয়ের ওপর যেভাবে হামলা হয়েছে, যেভাবে বিএনপি দলীয় পরিচয় দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ওপর হামলা করছে, তাতে মনে হচ্ছে আজকেই প্রাকটিস ম্যাচ শুরু হলো।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে হাসনাত আবদুল্লাহ এ মন্তব্য করেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিএনপি-একটি বড় দল, তারা যদি এভাবে শুরুতেই বিরোধী প্রার্থীদের ওপর হামলা করে, তাহলে পুরো নির্বাচনের ওপর একটা নেতিবাচক বার্তা যায়। দমন পীড়নের যে বার্তা, কেন্দ্র দখলের যে বার্তা, যেটি এর আগেও আমরা দেখেছি। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে তারা একটা প্রাকটিস ম্যাচ শুরু করলো। আমরা এমনও শুনছি, ব্যালটে যদি ধানের শীষের প্রতীক না থাকে তাহলে বাড়ি থেকে ছাপিয়ে এনে সেই প্রতীকে সিল দেওয়া হবে। আমরা এমনও শুনেছি যে, জামায়াতের নারী কর্মীরা যদি প্রচারে যায়, তাহলে ৯৯৯ ফোন করে যাতে তাদের ধরিয়ে দেওয়া হয়।
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, বর্তমানে পোস্টার বিলবোর্ড নিষিদ্ধ হলেও ঢাকা-১৭ আসনে (তারেক জিয়ার) বড় বড় বিলবোর্ড ও পোস্টার প্রদর্শিত হচ্ছে। তাই মোট কথা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকছে না। নির্বাচনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রক্ষা করা ইসির জন্য চ্যালেঞ্জ। এটা ঠিক রাখার জন্য আমরা সিইসিকে আহ্বান জানিয়েছি। তিনি আমাদের কথা শুনেছেন ও আশ্বস্ত করেছেন।
আরও পড়ুন, ভোট দিয়ে চলে এলে চলবে না, কেন্দ্রেই থাকতে হবে : তারেক রহমান
এনসিপির নির্বাচন ও প্রশাসন উপ-কমিটির সভাপতি আইমান রাহাত বলেন, এবারের নির্বাচনের দ্বারা নতুন বাংলাদেশের সূচনা হবে। কিন্তু ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন আসনে বিএনপি প্রার্থীরা এনসিপি ও জামায়াত প্রার্থীদের ওপর হামলা, প্রচার-প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে। কোথাও কোন প্রশাসন বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেও সুরাহা হচ্ছে না। রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক বাজানোর কথা থাকলেও গভীর রাত পর্যন্ত একটি দল মাইকে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। কোন আচরণবিধি মানা হচ্ছে না। তাহলে ভোটারদের মধ্যে একটি বার্তা যায়, বাংলাদেশে বোধহয় নির্বাচনে কোনো আচরণবিধি নেই। এটা মানারও কোন দরকার নেই। ঢাকা-৮ আসনে সরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে ওখানকার প্রার্থী সভা করছেন। কোন দলের পোস্টার করা নিষিদ্ধ। অথচ আমরা দেখেছি ঢাকা-১৭ আসনে বড় বড় বিলবোর্ড ও পোস্টার শোভা পাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
এনসিপির কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী ও দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, মাত্র চার দিন হলো জাতীয় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা চলছে। এরই মধ্যে আমাদের ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপি প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীব ভাইয়ের ওপর যেভাবে হামলা হয়েছে, যেভাবে বিএনপি দলীয় পরিচয় দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ওপর হামলা করছে, তাতে মনে হচ্ছে আজকেই প্রাকটিস ম্যাচ শুরু হলো।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে হাসনাত আবদুল্লাহ এ মন্তব্য করেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিএনপি-একটি বড় দল, তারা যদি এভাবে শুরুতেই বিরোধী প্রার্থীদের ওপর হামলা করে, তাহলে পুরো নির্বাচনের ওপর একটা নেতিবাচক বার্তা যায়। দমন পীড়নের যে বার্তা, কেন্দ্র দখলের যে বার্তা, যেটি এর আগেও আমরা দেখেছি। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে তারা একটা প্রাকটিস ম্যাচ শুরু করলো। আমরা এমনও শুনছি, ব্যালটে যদি ধানের শীষের প্রতীক না থাকে তাহলে বাড়ি থেকে ছাপিয়ে এনে সেই প্রতীকে সিল দেওয়া হবে। আমরা এমনও শুনেছি যে, জামায়াতের নারী কর্মীরা যদি প্রচারে যায়, তাহলে ৯৯৯ ফোন করে যাতে তাদের ধরিয়ে দেওয়া হয়।
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, বর্তমানে পোস্টার বিলবোর্ড নিষিদ্ধ হলেও ঢাকা-১৭ আসনে (তারেক জিয়ার) বড় বড় বিলবোর্ড ও পোস্টার প্রদর্শিত হচ্ছে। তাই মোট কথা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকছে না। নির্বাচনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রক্ষা করা ইসির জন্য চ্যালেঞ্জ। এটা ঠিক রাখার জন্য আমরা সিইসিকে আহ্বান জানিয়েছি। তিনি আমাদের কথা শুনেছেন ও আশ্বস্ত করেছেন।
আরও পড়ুন, ভোট দিয়ে চলে এলে চলবে না, কেন্দ্রেই থাকতে হবে : তারেক রহমান
এনসিপির নির্বাচন ও প্রশাসন উপ-কমিটির সভাপতি আইমান রাহাত বলেন, এবারের নির্বাচনের দ্বারা নতুন বাংলাদেশের সূচনা হবে। কিন্তু ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন আসনে বিএনপি প্রার্থীরা এনসিপি ও জামায়াত প্রার্থীদের ওপর হামলা, প্রচার-প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে। কোথাও কোন প্রশাসন বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেও সুরাহা হচ্ছে না। রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক বাজানোর কথা থাকলেও গভীর রাত পর্যন্ত একটি দল মাইকে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। কোন আচরণবিধি মানা হচ্ছে না। তাহলে ভোটারদের মধ্যে একটি বার্তা যায়, বাংলাদেশে বোধহয় নির্বাচনে কোনো আচরণবিধি নেই। এটা মানারও কোন দরকার নেই। ঢাকা-৮ আসনে সরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে ওখানকার প্রার্থী সভা করছেন। কোন দলের পোস্টার করা নিষিদ্ধ। অথচ আমরা দেখেছি ঢাকা-১৭ আসনে বড় বড় বিলবোর্ড ও পোস্টার শোভা পাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন