ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, বিএনপির ভেতরে-বাইরে ততই বাড়ছে উত্তাপ। প্রতিপক্ষের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি নিজ দলের স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীদেরও মোকাবিলা করতে হচ্ছে দলটির। দেশের ২৯৮টি আসনের মধ্যে অন্তত ৯৩টি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এ নিয়ে দল-মনোনীত প্রার্থীরাই শুধু নন, পুরো দলই আছে এক রকম চাপের মুখে। অবশ্য দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচন করায় ইতোমধ্যে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অবশিষ্ট বিদ্রোহীদের সঙ্গে কেন্দ্র থেকে যোগাযোগের পাশাপাশি তাদের ডেকে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানা গেছে। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহী প্রার্থীদের কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে দলটি।এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ইতোমধ্যেই বলেছেন, আমরা আহ্বান জানিয়েছি দলের সিদ্ধান্তের প্রতি যেন তারা (বিদ্রোহী) শ্রদ্ধাশীল হয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের যে সময়সীমা রয়েছে, এর মধ্যেই পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হবে বলে আশা করছি।
আরো পড়ুন , বিএনপি সরকার গঠন করলে সালথায় হবে আন্তর্জাতিকমানের হাসপাতাল
বিএনপির কেন্দ্রীয় এক নেতা জানান, দলীয় পদধারী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের গুলশান কার্যালয়ে ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এমএ খালেক, সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির বেশ কয়েকটি আসনে দল-মনোনীত প্রার্থীর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় নেতারাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে অনেকের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে, বাতিল হয়েছে কারও কারও। বাতিল হওয়া বেশ কয়েকটি মনোনয়নপত্র আপিলের পর গত দুদিনে বৈধ হয়েছে। এসব এলাকায় জামায়াত জোট, জাতীয় পার্টি ও বাম জোটের প্রার্থীও রয়েছেন। ফলে ঘরে-বাইরে বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়তে যাচ্ছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা।
বিষয় : সংসদ নির্বাচন উত্তাপ বিদ্রোহী প্রার্থী

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, বিএনপির ভেতরে-বাইরে ততই বাড়ছে উত্তাপ। প্রতিপক্ষের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি নিজ দলের স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীদেরও মোকাবিলা করতে হচ্ছে দলটির। দেশের ২৯৮টি আসনের মধ্যে অন্তত ৯৩টি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এ নিয়ে দল-মনোনীত প্রার্থীরাই শুধু নন, পুরো দলই আছে এক রকম চাপের মুখে। অবশ্য দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচন করায় ইতোমধ্যে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অবশিষ্ট বিদ্রোহীদের সঙ্গে কেন্দ্র থেকে যোগাযোগের পাশাপাশি তাদের ডেকে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানা গেছে। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহী প্রার্থীদের কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে দলটি।এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ইতোমধ্যেই বলেছেন, আমরা আহ্বান জানিয়েছি দলের সিদ্ধান্তের প্রতি যেন তারা (বিদ্রোহী) শ্রদ্ধাশীল হয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের যে সময়সীমা রয়েছে, এর মধ্যেই পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হবে বলে আশা করছি।
আরো পড়ুন , বিএনপি সরকার গঠন করলে সালথায় হবে আন্তর্জাতিকমানের হাসপাতাল
বিএনপির কেন্দ্রীয় এক নেতা জানান, দলীয় পদধারী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের গুলশান কার্যালয়ে ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এমএ খালেক, সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির বেশ কয়েকটি আসনে দল-মনোনীত প্রার্থীর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় নেতারাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে অনেকের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে, বাতিল হয়েছে কারও কারও। বাতিল হওয়া বেশ কয়েকটি মনোনয়নপত্র আপিলের পর গত দুদিনে বৈধ হয়েছে। এসব এলাকায় জামায়াত জোট, জাতীয় পার্টি ও বাম জোটের প্রার্থীও রয়েছেন। ফলে ঘরে-বাইরে বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়তে যাচ্ছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা।

আপনার মতামত লিখুন