ইয়েমেনের সবচেয়ে বড় প্রদেশ হারদামাউতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের থেকে সর্ববৃহৎ ঘাঁটি দখল করেছে সৌদি আরব সমর্থিত সরকার। হারদামাউতের গভর্নর শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আল-খাসাতে সরকারি বাহিনী ৩৭ নং ব্রিগেডের সামরিক ঘাঁটি দখল করেছে। যা হারদামাউতের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি। এরআগে শুক্রবার হারদামাউতে শান্তিপূর্ণ অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন তিনি। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সৌদি আল-খাসার ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়। এ হামলায় অন্তত সাতজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন।
ইয়েমেন এক দশকের বেশি সময় ধরে গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত। দেশটির উত্তরাঞ্চলের বেশিরভাগ অঞ্চল ইরান সমর্থিত হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। অপরদিকে দক্ষিণদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। সেখানেও আবার রয়েছে দলাদলি। এই দক্ষিণাঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাত এসটিসি নামের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে সমর্থন দেয়। যাদের লক্ষ্য হলো ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন স্বাধীন দেশ গঠন করা। বর্তমান ইয়েমেন ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দুটি আলাদা দেশ ছিল। কিন্তু এরপর এটি বৃহৎ একটি দেশে পরিণত হয়।
আরও পড়ুন, জ্যোতির্বিদ্যা অনুসারে ১৪৪৭ হিজরির রমজান শুরু ফেব্রুয়ারি মাসে
এরমধ্যে ২০১৪ সালে রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু করে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। প্রথমে তারা জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে আন্দোলন শুরু করলেও পরবর্তীতে এটি সশস্ত্র লড়াইয়ে পরিণত হয়। হুতি বিদ্রোহীরা ২০১৫ সালে সানার প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস দখল করে। ওই সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এরপর থেকেই শুরু হয় আধুনিক বিশ্বের অন্যতম নির্মম গৃহযুদ্ধ। সৌদির নেতৃত্বে সামরিক জোট হুতিদের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার বিমান হামলা চালিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাদের এখনো ক্ষমতাচ্যুত করতে পারেনি।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
ইয়েমেনের সবচেয়ে বড় প্রদেশ হারদামাউতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের থেকে সর্ববৃহৎ ঘাঁটি দখল করেছে সৌদি আরব সমর্থিত সরকার। হারদামাউতের গভর্নর শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আল-খাসাতে সরকারি বাহিনী ৩৭ নং ব্রিগেডের সামরিক ঘাঁটি দখল করেছে। যা হারদামাউতের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি। এরআগে শুক্রবার হারদামাউতে শান্তিপূর্ণ অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন তিনি। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সৌদি আল-খাসার ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়। এ হামলায় অন্তত সাতজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন।
ইয়েমেন এক দশকের বেশি সময় ধরে গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত। দেশটির উত্তরাঞ্চলের বেশিরভাগ অঞ্চল ইরান সমর্থিত হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। অপরদিকে দক্ষিণদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। সেখানেও আবার রয়েছে দলাদলি। এই দক্ষিণাঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাত এসটিসি নামের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে সমর্থন দেয়। যাদের লক্ষ্য হলো ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন স্বাধীন দেশ গঠন করা। বর্তমান ইয়েমেন ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দুটি আলাদা দেশ ছিল। কিন্তু এরপর এটি বৃহৎ একটি দেশে পরিণত হয়।
আরও পড়ুন, জ্যোতির্বিদ্যা অনুসারে ১৪৪৭ হিজরির রমজান শুরু ফেব্রুয়ারি মাসে
এরমধ্যে ২০১৪ সালে রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু করে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। প্রথমে তারা জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে আন্দোলন শুরু করলেও পরবর্তীতে এটি সশস্ত্র লড়াইয়ে পরিণত হয়। হুতি বিদ্রোহীরা ২০১৫ সালে সানার প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস দখল করে। ওই সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এরপর থেকেই শুরু হয় আধুনিক বিশ্বের অন্যতম নির্মম গৃহযুদ্ধ। সৌদির নেতৃত্বে সামরিক জোট হুতিদের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার বিমান হামলা চালিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাদের এখনো ক্ষমতাচ্যুত করতে পারেনি।

আপনার মতামত লিখুন