ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলের দুই বন্দর ও বেসামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। মঙ্গলবারের এই ড্রোন হামলায় পানামার দুটি বেসামরিক জাহাজ ও বন্দরের তেল সংরক্ষণ ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।ইউক্রেনের নৌবাহিনী ও সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পানামা পতাকাবাহী এমাক্রিস থ্রি ও ক্যাপ্টেন কারাম গম নেওয়ার উদ্দেশ্যে বন্দরে প্রবেশের সময় রুশ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে।
আরো পড়ুন , ইরান ট্রাম্পের হামলার হুমকি প্রত্যাখ্যান, কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি
দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ওলেক্সি কুলেবা বলেন, রুশ বাহিনী কৃষ্ণ সাগরের পিভদেননি ও চর্নোমোরস্ক বন্দরে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার উদ্দেশ্য বন্দর অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা, জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি তৈরি করা এবং পণ্য রপ্তানিতে বিলম্ব ঘটানো। যা নৌপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও জটিল করে তুলছে।তবে হামলার পরও উভয় বন্দরের কার্যক্রম চালু রয়েছে বলে জানান তিনি।
আরো পড়ুন , যুক্তরাষ্ট্র নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল বেশ কিছু দেশে
ওডেসা ও এর আশপাশের এলাকা কৃষ্ণ সাগরে কয়েকটি বন্দর অবস্থিত। যেগুলো ইউক্রেনের বৈদেশিক বাণিজ্য ও যুদ্ধকালীন অর্থনীতির টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ইউক্রেন বিশ্বে কৃষিপণ্যের অন্যতম বড় উৎপাদক ও রপ্তানিকারক। প্রায় চার বছর ধরে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে দেশটির অন্যান্য বন্দর ধ্বংস, দখল বা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে ওডেসা, পিভদেননি ও চর্নোমোরস্ক বন্দরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। এগুলো প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিষয় : ইউক্রেন রাশিয়া ড্রোন হামলা

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলের দুই বন্দর ও বেসামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। মঙ্গলবারের এই ড্রোন হামলায় পানামার দুটি বেসামরিক জাহাজ ও বন্দরের তেল সংরক্ষণ ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।ইউক্রেনের নৌবাহিনী ও সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পানামা পতাকাবাহী এমাক্রিস থ্রি ও ক্যাপ্টেন কারাম গম নেওয়ার উদ্দেশ্যে বন্দরে প্রবেশের সময় রুশ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে।
আরো পড়ুন , ইরান ট্রাম্পের হামলার হুমকি প্রত্যাখ্যান, কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি
দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ওলেক্সি কুলেবা বলেন, রুশ বাহিনী কৃষ্ণ সাগরের পিভদেননি ও চর্নোমোরস্ক বন্দরে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার উদ্দেশ্য বন্দর অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা, জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি তৈরি করা এবং পণ্য রপ্তানিতে বিলম্ব ঘটানো। যা নৌপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও জটিল করে তুলছে।তবে হামলার পরও উভয় বন্দরের কার্যক্রম চালু রয়েছে বলে জানান তিনি।
আরো পড়ুন , যুক্তরাষ্ট্র নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল বেশ কিছু দেশে
ওডেসা ও এর আশপাশের এলাকা কৃষ্ণ সাগরে কয়েকটি বন্দর অবস্থিত। যেগুলো ইউক্রেনের বৈদেশিক বাণিজ্য ও যুদ্ধকালীন অর্থনীতির টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ইউক্রেন বিশ্বে কৃষিপণ্যের অন্যতম বড় উৎপাদক ও রপ্তানিকারক। প্রায় চার বছর ধরে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে দেশটির অন্যান্য বন্দর ধ্বংস, দখল বা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে ওডেসা, পিভদেননি ও চর্নোমোরস্ক বন্দরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। এগুলো প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আপনার মতামত লিখুন