নাইজেরিয়ার নাইজার রাজ্যের একটি বাজারে বন্দুকধারীদের ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। খবর সিএএন’র। (৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজ্যের ডেমো গ্রামের কাসুয়ান দাজি বাজারে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন রোববার (৪ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, ‘ডাকাত’ হিসেবে পরিচিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাজারে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি শুরু করে। তারা বাজারের বিভিন্ন স্টলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং প্রচুর পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। পুলিশের তথ্যমতে, ৩০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারানোর পাশাপাশি বেশ কিছু ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়েছে, যাদের উদ্ধারে বর্তমানে অভিযান চলছে।
আরো পড়ুন , নিউইয়র্কে বন্দি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট
বন্দুকধারীরা মোটরসাইকেলে করে এসে নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে। তারা জানান, গত শুক্রবার থেকেই নিকটবর্তী আগওয়ারা ও বোরগু গ্রামসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় এই ধারাবাহিক হামলা শুরু হয়েছিল। হামলায় আহত দাউদা শাকুল্লে জানান, নারী ও শিশুদের ওপরও তারা কোনো দয়া দেখায়নি এবং হামলার পর থেকে সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো উপস্থিতি ছিল না। স্থানীয়রা নিজেরাই এখন পর্যন্ত মৃতদেহগুলো উদ্ধার করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। খালিদ পিসসা নামের অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেছেন, কাসুয়ান দাজি ছাড়াও চুকামা ও শাঙ্গা এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা অন্তত ৪০ জন হতে পারে।
বিষয় : নিহত নাইজেরিয়া সশস্ত্র হামলা

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
নাইজেরিয়ার নাইজার রাজ্যের একটি বাজারে বন্দুকধারীদের ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। খবর সিএএন’র। (৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজ্যের ডেমো গ্রামের কাসুয়ান দাজি বাজারে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন রোববার (৪ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, ‘ডাকাত’ হিসেবে পরিচিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাজারে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি শুরু করে। তারা বাজারের বিভিন্ন স্টলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং প্রচুর পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। পুলিশের তথ্যমতে, ৩০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারানোর পাশাপাশি বেশ কিছু ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়েছে, যাদের উদ্ধারে বর্তমানে অভিযান চলছে।
আরো পড়ুন , নিউইয়র্কে বন্দি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট
বন্দুকধারীরা মোটরসাইকেলে করে এসে নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে। তারা জানান, গত শুক্রবার থেকেই নিকটবর্তী আগওয়ারা ও বোরগু গ্রামসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় এই ধারাবাহিক হামলা শুরু হয়েছিল। হামলায় আহত দাউদা শাকুল্লে জানান, নারী ও শিশুদের ওপরও তারা কোনো দয়া দেখায়নি এবং হামলার পর থেকে সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো উপস্থিতি ছিল না। স্থানীয়রা নিজেরাই এখন পর্যন্ত মৃতদেহগুলো উদ্ধার করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। খালিদ পিসসা নামের অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেছেন, কাসুয়ান দাজি ছাড়াও চুকামা ও শাঙ্গা এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা অন্তত ৪০ জন হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন