ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমঝোতা। নির্বাচনে এনসিপি জোট (এনসিপি ও এবি পার্টি) ৫০ আসন দাবি করলেও জামায়াত ৩০টি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তবে এনসিপি আরও বেশি আসন দাবি করে আলোচনায় রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। তবে জামায়াতের সঙ্গে থাকবেন বলে চূড়ান্তভাবে একমত হয়েছেন এনসিপির নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ শীর্ষ নেতারা।
আরো পড়ুন , সংকটময় সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া
জামায়াতের সঙ্গে জোটের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দলটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নেতা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলছেন, ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে জামায়াতের সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত হবে দেশের জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি। এতে আপত্তি জানিয়ে নাহিদ ইসলামকে চিঠি দিয়েছেন এনসিপির ৩০ নেতা। তার ওপর জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চাচ্ছেন না এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম ও তাজনুভা জাবিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা ও নাহিদা সারোয়ার নিভা।
আরো পড়ুন , এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন তাসনিম জারা
জোট প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার পর এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। এমন ঘোষণা দিয়ে গতকাল রাতে তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। এ সময় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা জানান। জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, শুরু থেকে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচন করার কথা বলে জামায়াতের সঙ্গে জোট করা মানে দেশের মানুষের সঙ্গে বেইমানি করা। এর মধ্যে কয়েক লেয়ারের ইন্টারভিউ করে ১৮০০ মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমঝোতা। নির্বাচনে এনসিপি জোট (এনসিপি ও এবি পার্টি) ৫০ আসন দাবি করলেও জামায়াত ৩০টি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তবে এনসিপি আরও বেশি আসন দাবি করে আলোচনায় রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। তবে জামায়াতের সঙ্গে থাকবেন বলে চূড়ান্তভাবে একমত হয়েছেন এনসিপির নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ শীর্ষ নেতারা।
আরো পড়ুন , সংকটময় সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া
জামায়াতের সঙ্গে জোটের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দলটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নেতা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলছেন, ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে জামায়াতের সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত হবে দেশের জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি। এতে আপত্তি জানিয়ে নাহিদ ইসলামকে চিঠি দিয়েছেন এনসিপির ৩০ নেতা। তার ওপর জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চাচ্ছেন না এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম ও তাজনুভা জাবিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা ও নাহিদা সারোয়ার নিভা।
আরো পড়ুন , এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন তাসনিম জারা
জোট প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার পর এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। এমন ঘোষণা দিয়ে গতকাল রাতে তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। এ সময় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা জানান। জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, শুরু থেকে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচন করার কথা বলে জামায়াতের সঙ্গে জোট করা মানে দেশের মানুষের সঙ্গে বেইমানি করা। এর মধ্যে কয়েক লেয়ারের ইন্টারভিউ করে ১৮০০ মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন