পদ্মার পানি বণ্টন চুক্তিতে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যার প্রশ্নে ভারতকে এক বিন্দু ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেছেন, চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি না পেলে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মতো লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে রাজশাহীর কাটাখালি পৌরসভায় এনসিপির উদ্যোগে আয়োজিত পথসভা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে আখতার হোসেন বলেন, পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার। এ অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। চুক্তি অনুযায়ী পানি না পেলে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চের আদলে কর্মসূচি দেওয়া হবে। রাজনৈতিক প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের প্রশ্নে বিএনপি দুরভিসন্ধিমূলক অবস্থান নিয়েছে। পরবর্তী নির্বাচনগুলো নিজেদের অনুকূলে আয়োজনের লক্ষ্যেই দলটি এমন অবস্থান নিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন,বিএনপি সব বিপ্লবের সুফল নেয়, পরে আওয়ামী লীগ হতে চায়: হাসনাত আব্দুল্লাহ
আখতার হোসেন আরও বলেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিলেও বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে সেই রায় অস্বীকার করেছে। তারা একতরফাভাবে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, কমিটির বৈঠকগুলোতে লোকদেখানো আলোচনা হচ্ছে। সেখানে জাতীয় স্বার্থে কল্যাণকর কোনো সিদ্ধান্ত বা কার্যকর প্রস্তাব আসছে না। বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় স্পিকারকে প্রধান করার মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সমাবেশে তিনি দেশের স্বার্থ, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
পদ্মার পানি বণ্টন চুক্তিতে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যার প্রশ্নে ভারতকে এক বিন্দু ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেছেন, চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি না পেলে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মতো লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে রাজশাহীর কাটাখালি পৌরসভায় এনসিপির উদ্যোগে আয়োজিত পথসভা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে আখতার হোসেন বলেন, পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার। এ অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। চুক্তি অনুযায়ী পানি না পেলে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চের আদলে কর্মসূচি দেওয়া হবে। রাজনৈতিক প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের প্রশ্নে বিএনপি দুরভিসন্ধিমূলক অবস্থান নিয়েছে। পরবর্তী নির্বাচনগুলো নিজেদের অনুকূলে আয়োজনের লক্ষ্যেই দলটি এমন অবস্থান নিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন,বিএনপি সব বিপ্লবের সুফল নেয়, পরে আওয়ামী লীগ হতে চায়: হাসনাত আব্দুল্লাহ
আখতার হোসেন আরও বলেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিলেও বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে সেই রায় অস্বীকার করেছে। তারা একতরফাভাবে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, কমিটির বৈঠকগুলোতে লোকদেখানো আলোচনা হচ্ছে। সেখানে জাতীয় স্বার্থে কল্যাণকর কোনো সিদ্ধান্ত বা কার্যকর প্রস্তাব আসছে না। বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় স্পিকারকে প্রধান করার মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সমাবেশে তিনি দেশের স্বার্থ, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
