‘জায়গার নাম ভাঙ্গা। আসলে সারা দেশের কোমর ভাঙা। তাই দেশ মেরামত করতে হবে। সংস্কার করতে হবে। গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে’—এমন মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ১১-দলীয় ঐক্যজোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। লংমার্চের গাড়িবহর থামিয়ে প্রায় ১ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড বক্তব্য দেন তিনি। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। শফিকুর রহমান বলেন, দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেতে হবে। এটি জনগণের লড়াই, মুক্তির লড়াই।
আরও পড়ুন,ইউনূসের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন ফজলুর রহমান
লংমার্চকে স্বাগত জানানো নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁরা একটি মানবিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চান। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারসংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি। পাশাপাশি সংকীর্ণ দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধের দাবিও জানান তিনি। শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়ার দিকে যাওয়ার কথা রয়েছে বহরটির। প্রায় ৪২৫ কিলোমিটারের এ যাত্রাপথে ১৯টি জেলা অতিক্রম করার পরিকল্পনা রয়েছে। পথে একাধিক পথসভা আয়োজন করা হয়েছে। লংমার্চে শফিকুর রহমানের সঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও রয়েছেন। ভাঙ্গায় পথসভা শেষে গাড়িবহর খুলনার দিকে রওনা হলে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। সকাল ১১টা থেকে ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত কয়েক হাজার গাড়ি ভাঙ্গা মহাসড়ক অতিক্রম করে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
‘জায়গার নাম ভাঙ্গা। আসলে সারা দেশের কোমর ভাঙা। তাই দেশ মেরামত করতে হবে। সংস্কার করতে হবে। গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে’—এমন মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ১১-দলীয় ঐক্যজোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। লংমার্চের গাড়িবহর থামিয়ে প্রায় ১ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড বক্তব্য দেন তিনি। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। শফিকুর রহমান বলেন, দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেতে হবে। এটি জনগণের লড়াই, মুক্তির লড়াই।
আরও পড়ুন,ইউনূসের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন ফজলুর রহমান
লংমার্চকে স্বাগত জানানো নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁরা একটি মানবিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চান। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারসংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি। পাশাপাশি সংকীর্ণ দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধের দাবিও জানান তিনি। শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়ার দিকে যাওয়ার কথা রয়েছে বহরটির। প্রায় ৪২৫ কিলোমিটারের এ যাত্রাপথে ১৯টি জেলা অতিক্রম করার পরিকল্পনা রয়েছে। পথে একাধিক পথসভা আয়োজন করা হয়েছে। লংমার্চে শফিকুর রহমানের সঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও রয়েছেন। ভাঙ্গায় পথসভা শেষে গাড়িবহর খুলনার দিকে রওনা হলে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। সকাল ১১টা থেকে ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত কয়েক হাজার গাড়ি ভাঙ্গা মহাসড়ক অতিক্রম করে।

আপনার মতামত লিখুন