দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

কসবায় জাতীয় যুব দিবসে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

কসবায় জাতীয় যুব দিবসে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

২৫ বছরেও মেলেনি বর্জ্য সমস্যার সমাধান, প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ সোনারগাঁয়ের পরিবেশ সংগঠন

২৫ বছরেও মেলেনি বর্জ্য সমস্যার সমাধান, প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ সোনারগাঁয়ের পরিবেশ সংগঠন

বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদক, চুরি, দস্যুতা ও ওয়ারেন্টভুক্তসহ গ্রেপ্তার ১০

বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদক, চুরি, দস্যুতা ও ওয়ারেন্টভুক্তসহ গ্রেপ্তার ১০

মুজিবনগর সীমান্তে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ২

মুজিবনগর সীমান্তে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ২

ময়মনসিংহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন

ময়মনসিংহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন

জিয়াউল হক সভাপতি হওয়ায় স্কুলের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে: হাসানুজ্জামান সরকার

জিয়াউল হক সভাপতি হওয়ায় স্কুলের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে: হাসানুজ্জামান সরকার

টাঙ্গাইলে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে আসামি বিপ্লব গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে আসামি বিপ্লব গ্রেপ্তার

কসবায় দিদার হত্যার মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

কসবায় দিদার হত্যার মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

ফলাফলে শীর্ষে কসবা মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

ফলাফলে শীর্ষে কসবা মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ
ফলাফলে শীর্ষে কসবা মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৬ শিক্ষার্থী, পাসের হারে শীর্ষে কসবা মহিলা কলেজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে উপজেলার ১০টি কলেজে মোট ২ হাজার ১৩৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৪০ জন। সে হিসাবে সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৬ জন শিক্ষার্থী। প্রাপ্ত ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কলেজভেদে পাসের হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেছে। পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে কসবা মহিলা কলেজ। এ কলেজ থেকে ৪৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৯৮ জন। পাসের হার ৪৫ দশমিক ১০ শতাংশ। এ কলেজ থেকেই সর্বোচ্চ ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। অন্যদিকে, বায়েক আলহাজ্ব শাহআলম কলেজ থেকে ১৪৫ জনের মধ্যে ৫৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ৩৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। কালের নাঈমা আলম মহিলা কলেজে ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৩০ জন। পাসের হার ৩০ দশমিক ৯৩ শতাংশ। গোপীনাথপুর আলহাজ্ব শাহআলম কলেজে ৩১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৯৭ জন। পাসের হার ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ। চারগাছ নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ডিগ্রি কলেজে ১৬৯ জনের মধ্যে ৪৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। এ ছাড়া সৈয়দাবাদ আদর্শ সরকারি কলেজে ৪৮৯ জনের মধ্যে ১১৮ জন পাস করেছেন। পাসের হার ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। কসবা তফাজ্জল আলী কলেজে ১৬২ জনের মধ্যে ৩৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২১ দশমিক ৬০ শতাংশ। 

আরও পড়ুন,রাজবাড়ীতে ১৩ শিক্ষক থাকা কলেজে ১৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস মাত্র ১ জন

মিয়া আব্দুল্লাহ ওয়াজেদ গার্লস কলেজে ১৮৬ জনের মধ্যে ৩৬ জন পাস করেছেন। পাসের হার ১৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। অন্যদিকে, সিরাজুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১৫ জন। পাসের হার ১৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ। মুলাগ্রাম জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া রুহুল আমিন ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন কলেজে ৪৭ জনের মধ্যে মাত্র ৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এ কলেজের পাসের হার সর্বনিম্ন ১৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। উল্লেখ্য, জাতীয় পর্যায়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। সে তুলনায় কসবার তালিকাভুক্ত ১০টি কলেজের সম্মিলিত পাসের হার জাতীয় গড়ের চেয়ে প্রায় ২২ দশমিক ১৬ শতাংশ পয়েন্ট কম। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, কসবা মহিলা কলেজ পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে প্রত্যাশিত সাফল্য আসেনি। বিশেষ করে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে আসা উদ্বেগের বিষয়। কসবা মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছামিউল ইসলাম জানান কলেজে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও নিয়মিত পাঠ দান করা জরুরী। ভালো  ফলাফল এর লক্ষ্যে শিক্ষক মন্ডলীগণ যত্ন সহকারে পাঠদানে সচেষ্ট হলে ভালো ফলাফল আশা করা যায়। কসবা উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাল ফলাফলের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান। কসবা মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ তসলিম মিয়া জানান অত্র কলেজটির প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই ফলাফলে কসবায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ভালো ফলাফলের জন্য অত্র কলেজের পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষক মন্ডলী গুরুত্ব সহকারে তত্ত্বাবধান করে থাকেন।  কসবা পৌর বিএনপি'র সভাপতি শরিফুল ইসলাম ভূইয়া বলেন ভাল পাঠদান ও ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি নিশ্চিত না করলে ভাল ফলাফল আশা করা যায় না। এই ফলাফল বিপর্যয় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন ও মাননীয় সংসদ সদস্য ও জনাব মুশফিকুর রহমানের সুদৃষ্টি কামনা করেন। শিক্ষার মানোন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং শিক্ষকদের নিবিড় তদারকির মাধ্যমে আগামী দিনে এ অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

বিষয় : ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


ফলাফলে শীর্ষে কসবা মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৬ শিক্ষার্থী, পাসের হারে শীর্ষে কসবা মহিলা কলেজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে উপজেলার ১০টি কলেজে মোট ২ হাজার ১৩৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৪০ জন। সে হিসাবে সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৬ জন শিক্ষার্থী। প্রাপ্ত ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কলেজভেদে পাসের হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেছে। পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে কসবা মহিলা কলেজ। এ কলেজ থেকে ৪৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৯৮ জন। পাসের হার ৪৫ দশমিক ১০ শতাংশ। এ কলেজ থেকেই সর্বোচ্চ ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। অন্যদিকে, বায়েক আলহাজ্ব শাহআলম কলেজ থেকে ১৪৫ জনের মধ্যে ৫৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ৩৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। কালের নাঈমা আলম মহিলা কলেজে ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৩০ জন। পাসের হার ৩০ দশমিক ৯৩ শতাংশ। গোপীনাথপুর আলহাজ্ব শাহআলম কলেজে ৩১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৯৭ জন। পাসের হার ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ। চারগাছ নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ডিগ্রি কলেজে ১৬৯ জনের মধ্যে ৪৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। এ ছাড়া সৈয়দাবাদ আদর্শ সরকারি কলেজে ৪৮৯ জনের মধ্যে ১১৮ জন পাস করেছেন। পাসের হার ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। কসবা তফাজ্জল আলী কলেজে ১৬২ জনের মধ্যে ৩৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ২১ দশমিক ৬০ শতাংশ। 

আরও পড়ুন,রাজবাড়ীতে ১৩ শিক্ষক থাকা কলেজে ১৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস মাত্র ১ জন

মিয়া আব্দুল্লাহ ওয়াজেদ গার্লস কলেজে ১৮৬ জনের মধ্যে ৩৬ জন পাস করেছেন। পাসের হার ১৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। অন্যদিকে, সিরাজুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১৫ জন। পাসের হার ১৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ। মুলাগ্রাম জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া রুহুল আমিন ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন কলেজে ৪৭ জনের মধ্যে মাত্র ৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এ কলেজের পাসের হার সর্বনিম্ন ১৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। উল্লেখ্য, জাতীয় পর্যায়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। সে তুলনায় কসবার তালিকাভুক্ত ১০টি কলেজের সম্মিলিত পাসের হার জাতীয় গড়ের চেয়ে প্রায় ২২ দশমিক ১৬ শতাংশ পয়েন্ট কম। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, কসবা মহিলা কলেজ পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে প্রত্যাশিত সাফল্য আসেনি। বিশেষ করে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে নেমে আসা উদ্বেগের বিষয়। কসবা মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছামিউল ইসলাম জানান কলেজে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও নিয়মিত পাঠ দান করা জরুরী। ভালো  ফলাফল এর লক্ষ্যে শিক্ষক মন্ডলীগণ যত্ন সহকারে পাঠদানে সচেষ্ট হলে ভালো ফলাফল আশা করা যায়। কসবা উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাল ফলাফলের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান। কসবা মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ তসলিম মিয়া জানান অত্র কলেজটির প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই ফলাফলে কসবায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ভালো ফলাফলের জন্য অত্র কলেজের পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষক মন্ডলী গুরুত্ব সহকারে তত্ত্বাবধান করে থাকেন।  কসবা পৌর বিএনপি'র সভাপতি শরিফুল ইসলাম ভূইয়া বলেন ভাল পাঠদান ও ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি নিশ্চিত না করলে ভাল ফলাফল আশা করা যায় না। এই ফলাফল বিপর্যয় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন ও মাননীয় সংসদ সদস্য ও জনাব মুশফিকুর রহমানের সুদৃষ্টি কামনা করেন। শিক্ষার মানোন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং শিক্ষকদের নিবিড় তদারকির মাধ্যমে আগামী দিনে এ অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ফলাফলে শীর্ষে কসবা মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ
0:00 0:00
1.0x