ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কিশোর দিদারুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি এরশাদ মিয়া ও মাহিদ মিয়াকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের চৌবেপুর গ্রামে নিহত দিদারের নিজ এলাকায় চৌবেপুর বাজার সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিহত দিদারের বাবা, দাদি ও স্বজনরা অংশ নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের আহাজারিতে মানববন্ধনে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মেহারী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক স্বপন মিয়া, শিক্ষক কাজী মানিক, ইসমাইল হোসেন, আবু সাহেল, সিরাজুল ইসলাম, মহিউদ্দিন হায়দার, আব্দুল জলিল, রুবেল মিয়া, এইচ এম ইসমাইল রেজা, তুহিন রেজা ও আশরাফ জুয়েলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বক্তারা বলেন, দিদার হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মামলার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তাঁরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন স্থানীয় যুবসমাজ।
আরো পড়ুন,আদালতের ১৪৫ ধারার নোটিশের পরও জমি দখলের অভিযোগ, সোনারগাঁয়ে উত্তেজনা
উল্লেখ্য, গত ২১ অক্টোবর অ দুপুরে নারিকেল পাড়া নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে প্রতিবেশী মাহিদ মিয়া দিদারুল ইসলামকে পেছন থেকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কসবা এবং পরে কুমিল্লায় নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ অক্টোবর বিকেলে বৃষ্টি মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ওইদিন রাতেই এরশাদ মিয়া ও মাহিদ মিয়াকে আসামি করে কসবা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। তবে মানববন্ধনকারীদের দাবি, ঘটনার পর থেকে মামলার অভিযুক্তরা এখনো গ্রেপ্তার হননি। মানববন্ধন শেষে চৌবেপুর গ্রামের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল করেন এলাকাবাসী। এ সময় তাঁরা দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কিশোর দিদারুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি এরশাদ মিয়া ও মাহিদ মিয়াকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের চৌবেপুর গ্রামে নিহত দিদারের নিজ এলাকায় চৌবেপুর বাজার সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিহত দিদারের বাবা, দাদি ও স্বজনরা অংশ নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের আহাজারিতে মানববন্ধনে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মেহারী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক স্বপন মিয়া, শিক্ষক কাজী মানিক, ইসমাইল হোসেন, আবু সাহেল, সিরাজুল ইসলাম, মহিউদ্দিন হায়দার, আব্দুল জলিল, রুবেল মিয়া, এইচ এম ইসমাইল রেজা, তুহিন রেজা ও আশরাফ জুয়েলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বক্তারা বলেন, দিদার হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মামলার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তাঁরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন স্থানীয় যুবসমাজ।
আরো পড়ুন,আদালতের ১৪৫ ধারার নোটিশের পরও জমি দখলের অভিযোগ, সোনারগাঁয়ে উত্তেজনা
উল্লেখ্য, গত ২১ অক্টোবর অ দুপুরে নারিকেল পাড়া নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে প্রতিবেশী মাহিদ মিয়া দিদারুল ইসলামকে পেছন থেকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কসবা এবং পরে কুমিল্লায় নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ অক্টোবর বিকেলে বৃষ্টি মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ওইদিন রাতেই এরশাদ মিয়া ও মাহিদ মিয়াকে আসামি করে কসবা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। তবে মানববন্ধনকারীদের দাবি, ঘটনার পর থেকে মামলার অভিযুক্তরা এখনো গ্রেপ্তার হননি। মানববন্ধন শেষে চৌবেপুর গ্রামের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল করেন এলাকাবাসী। এ সময় তাঁরা দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আপনার মতামত লিখুন