ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে বেড়ে গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৩.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৬.৭২ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, যা গত এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৩.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৩.২৭ ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সংঘাত ঘনীভূত হলে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে এমন উদ্বেগ থেকেই এ দরবৃদ্ধি। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত ও রাজনীতির উত্তাপ তেলের বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনার বিষয় অস্বীকার করে ‘বড় কিছু ঘটার’ ইঙ্গিত দিয়েছেন।
আরও পড়ুন,সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়ায় সাময়িকভাবে সৈকত বন্ধ ঘোষণা
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী যেকোনো ধরনের হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর শায়বাহ তেলক্ষেত্র এবং দাম্মাম বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর। এসব হামলায় হতাহতের ঘটনার পর আরামকো তাদের কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জরুরি দায়িত্ববহির্ভূত সরকারি কর্মীদের হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংঘাতের এই বিস্তার বিশ্বজ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ঝুঁকির সৃষ্টি করেছে।
বিষয় : বিশ্ববাজার বাড়ল তেলের মূল্য

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে বেড়ে গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৩.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৬.৭২ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, যা গত এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৩.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৩.২৭ ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সংঘাত ঘনীভূত হলে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে এমন উদ্বেগ থেকেই এ দরবৃদ্ধি। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত ও রাজনীতির উত্তাপ তেলের বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনার বিষয় অস্বীকার করে ‘বড় কিছু ঘটার’ ইঙ্গিত দিয়েছেন।
আরও পড়ুন,সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়ায় সাময়িকভাবে সৈকত বন্ধ ঘোষণা
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী যেকোনো ধরনের হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর শায়বাহ তেলক্ষেত্র এবং দাম্মাম বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর। এসব হামলায় হতাহতের ঘটনার পর আরামকো তাদের কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জরুরি দায়িত্ববহির্ভূত সরকারি কর্মীদের হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংঘাতের এই বিস্তার বিশ্বজ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ঝুঁকির সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন