সিলেটের ঐতিহাসিক হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পঞ্চমবারের মতো দানবাক্স ও ঐতিহ্যবাহী ডেগ খুলে টাকা গণনা শুরু করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সরাসরি উপস্থিতিতে সিলগালা করা ডেগ ও নতুন দানবাক্সগুলোর তালা খুলে গণনার কাজ শুরু করা হয়।
জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আপাতত প্রতি মাসে একবার এই দানবাক্স ও ডেগ খোলা হচ্ছে। পরবর্তীতে স্থায়ী ব্যবস্থাপক ও কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিদিনের সংগৃহীত অর্থ প্রতিদিনই গণনার ব্যবস্থা করা হবে।
আরও পড়ুন,মাদরাসায় ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ অস্বীকার
এর আগে কমিটির সভাপতি ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, মাজারের মোট আয়ের ৩৫ শতাংশ উন্নয়নমূলক কাজে এবং বাকি ৬৫ শতাংশ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ে ব্যবহার করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২২ জুন, ১১ জুলাই, ১৫ আগস্ট ও ১৯ সেপ্টেম্বর—এই চার দফায় মাজারের ডেগ ও দানবাক্স খোলা হয়েছিল। এর মধ্যে চতুর্থ দফায় সর্বোচ্চ ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বৈদেসিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া গিয়েছিল। সংগৃহীত সব অর্থ জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় খোলা একটি নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হচ্ছে। শনিবার শুরু হওয়া পঞ্চম দফার টাকা গণনার কাজ শেষ হলে মোট প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ বাণিজ্যিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সিলেটের ঐতিহাসিক হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পঞ্চমবারের মতো দানবাক্স ও ঐতিহ্যবাহী ডেগ খুলে টাকা গণনা শুরু করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সরাসরি উপস্থিতিতে সিলগালা করা ডেগ ও নতুন দানবাক্সগুলোর তালা খুলে গণনার কাজ শুরু করা হয়।
জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আপাতত প্রতি মাসে একবার এই দানবাক্স ও ডেগ খোলা হচ্ছে। পরবর্তীতে স্থায়ী ব্যবস্থাপক ও কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিদিনের সংগৃহীত অর্থ প্রতিদিনই গণনার ব্যবস্থা করা হবে।
আরও পড়ুন,মাদরাসায় ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ অস্বীকার
এর আগে কমিটির সভাপতি ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, মাজারের মোট আয়ের ৩৫ শতাংশ উন্নয়নমূলক কাজে এবং বাকি ৬৫ শতাংশ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ে ব্যবহার করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২২ জুন, ১১ জুলাই, ১৫ আগস্ট ও ১৯ সেপ্টেম্বর—এই চার দফায় মাজারের ডেগ ও দানবাক্স খোলা হয়েছিল। এর মধ্যে চতুর্থ দফায় সর্বোচ্চ ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বৈদেসিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া গিয়েছিল। সংগৃহীত সব অর্থ জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় খোলা একটি নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হচ্ছে। শনিবার শুরু হওয়া পঞ্চম দফার টাকা গণনার কাজ শেষ হলে মোট প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ বাণিজ্যিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন