কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ফুসলিয়ে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রিয়া আক্তার (২৪) নামে এক নারীকে আটক করে গণধোলাই দিয়েছেন স্থানীয়রা। পরে ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার পথে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে উত্তেজিত জনতা। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানও ভাঙচুর করা হয়।বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে কটিয়াদী পৌরসভার বেথইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন কটিয়াদী মডেল থানার এসআই মো. মাসুদ রানা, কনস্টেবল আতাউর রহমান, সারোয়ার হোসেন ও আল আমিন। আহত পুলিশ সদস্য, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী ইলমা আক্তার এবং আটক নারীকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কিশোয়ার সুলতানা জানান, দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়ে থাকার সময় কালো বোরকা পরা এক নারী এসে ইলমাকে তার বাবার দুর্ঘটনার কথা বলে বিদ্যালয়ের বাইরে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন, আবাসিক গ্যাসে হোটেলের রান্না গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
সহপাঠীরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে শিক্ষক ও দপ্তরিকে জানালে শিশুটির পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা খোঁজ শুরু করেন।পরে বিদ্যালয় থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে পিপুলিয়া এলাকায় একটি অটোরিকশা থেকে ইলমাকে উদ্ধার করা হয়। সেখানে প্রিয়া আক্তারকেও আটক করা হয়। স্থানীয়রা তাকে মারধর করে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে আটকে রাখেন।শিশুটির ভাষ্য, ওই নারী তার বাবার দুর্ঘটনার কথা বলে তাকে ভুল বুঝিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশায় ওঠানোর পর তার কানের দুল খুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও সে জানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পিকআপের সামনের গ্লাস ও বাম্পার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।এসআই মো. মাসুদ রানা বলেন, অবরুদ্ধ নারীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতা ফের মারধরের চেষ্টা করে এবং পুলিশের ওপর হামলা চালায়। ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয় : স্কুলছাত্রী হত্যা নারী আটক গণধোলাই

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ফুসলিয়ে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রিয়া আক্তার (২৪) নামে এক নারীকে আটক করে গণধোলাই দিয়েছেন স্থানীয়রা। পরে ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার পথে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে উত্তেজিত জনতা। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানও ভাঙচুর করা হয়।বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে কটিয়াদী পৌরসভার বেথইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন কটিয়াদী মডেল থানার এসআই মো. মাসুদ রানা, কনস্টেবল আতাউর রহমান, সারোয়ার হোসেন ও আল আমিন। আহত পুলিশ সদস্য, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী ইলমা আক্তার এবং আটক নারীকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কিশোয়ার সুলতানা জানান, দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়ে থাকার সময় কালো বোরকা পরা এক নারী এসে ইলমাকে তার বাবার দুর্ঘটনার কথা বলে বিদ্যালয়ের বাইরে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন, আবাসিক গ্যাসে হোটেলের রান্না গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
সহপাঠীরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে শিক্ষক ও দপ্তরিকে জানালে শিশুটির পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা খোঁজ শুরু করেন।পরে বিদ্যালয় থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে পিপুলিয়া এলাকায় একটি অটোরিকশা থেকে ইলমাকে উদ্ধার করা হয়। সেখানে প্রিয়া আক্তারকেও আটক করা হয়। স্থানীয়রা তাকে মারধর করে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে আটকে রাখেন।শিশুটির ভাষ্য, ওই নারী তার বাবার দুর্ঘটনার কথা বলে তাকে ভুল বুঝিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশায় ওঠানোর পর তার কানের দুল খুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও সে জানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পিকআপের সামনের গ্লাস ও বাম্পার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।এসআই মো. মাসুদ রানা বলেন, অবরুদ্ধ নারীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতা ফের মারধরের চেষ্টা করে এবং পুলিশের ওপর হামলা চালায়। ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন