জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নয় সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মার্কেটিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অজয় পালকে আহ্বায়ক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জয় সাহাকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে।সোমবার (৫ অক্টোবর) পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরঞ্জন কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দির’-এর জন্য গঠনতন্ত্র প্রণয়ন এবং সে অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নয় সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠিত হলে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে।কমিটিতে বাংলা বিভাগের ১৭তম ব্যাচের সুমন কুমার দাসকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ১৬তম ব্যাচের প্রিয়ন্ত স্বর্ণকার,
আরও পড়ুন,কালকিনিতে পাঁচ বছরের শিশু ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে লম্পটের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করলেন এলাকাবাসী
সংগীত বিভাগের ১৭তম ব্যাচের অনন্ত বিশ্বাস, লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৮তম ব্যাচের গৌরব দাস, ফিন্যান্স বিভাগের ১৮তম ব্যাচের অবন্তি রায়, অর্থনীতি বিভাগের ১৯তম ব্যাচের অতসী দাস এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০তম ব্যাচের বিশাল কুমার সাহা।কমিটিতে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়ে জয় সাহা বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের সদস্য সচিব হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই দায়িত্ব আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের এবং একই সঙ্গে একটি বড় দায়িত্বের। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সৌহার্দ্য বজায় রাখতে আমি নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।” তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও সকলের অংশগ্রহণের একটি মিলনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে।” কমিটি গঠনের বিষয়ে আহ্বায়ক অজয় পাল বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মন্দিরের কার্যক্রমে সমন্বয়, শৃঙ্খলা ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নয় সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মার্কেটিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অজয় পালকে আহ্বায়ক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জয় সাহাকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে।সোমবার (৫ অক্টোবর) পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরঞ্জন কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দির’-এর জন্য গঠনতন্ত্র প্রণয়ন এবং সে অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নয় সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠিত হলে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে।কমিটিতে বাংলা বিভাগের ১৭তম ব্যাচের সুমন কুমার দাসকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ১৬তম ব্যাচের প্রিয়ন্ত স্বর্ণকার,
আরও পড়ুন,কালকিনিতে পাঁচ বছরের শিশু ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে লম্পটের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করলেন এলাকাবাসী
সংগীত বিভাগের ১৭তম ব্যাচের অনন্ত বিশ্বাস, লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৮তম ব্যাচের গৌরব দাস, ফিন্যান্স বিভাগের ১৮তম ব্যাচের অবন্তি রায়, অর্থনীতি বিভাগের ১৯তম ব্যাচের অতসী দাস এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০তম ব্যাচের বিশাল কুমার সাহা।কমিটিতে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়ে জয় সাহা বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের সদস্য সচিব হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই দায়িত্ব আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের এবং একই সঙ্গে একটি বড় দায়িত্বের। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সৌহার্দ্য বজায় রাখতে আমি নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।” তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও সকলের অংশগ্রহণের একটি মিলনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে।” কমিটি গঠনের বিষয়ে আহ্বায়ক অজয় পাল বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মন্দিরের কার্যক্রমে সমন্বয়, শৃঙ্খলা ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

আপনার মতামত লিখুন