রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয় সরকারিকরণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক চিঠিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মোঃ উৎপল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। পত্রে মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয় সরকারিকরণের জন্য দ্রুত সম্ভাব্যতা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ৩১২, মহিলা আসন-১২ এর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব জাঁবা আমিনা খানের আধা সরকারি পত্র ও আবেদনের প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এদিকে, মহাবিদ্যালয়টি সরকারিকরণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের আনুষ্ঠানিক নির্দেশ আসায় স্থানীয় শিক্ষক,
আরও পড়ুন, পাঁচবিবিতে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ গোলাম মোস্তফা।এক প্রতিক্রিয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলেন, "এই নির্দেশনা মিঠাপুকুরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বাস্তবায়নে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এই উদ্যোগের ফলে এই অঞ্চলের অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হবে।"স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর প্রশাসনিক কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে গেলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই বিদ্যাপীঠটি সরকারি কলেজে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত গতি পাবে এবং এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয় সরকারিকরণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক চিঠিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মোঃ উৎপল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। পত্রে মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয় সরকারিকরণের জন্য দ্রুত সম্ভাব্যতা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ৩১২, মহিলা আসন-১২ এর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব জাঁবা আমিনা খানের আধা সরকারি পত্র ও আবেদনের প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এদিকে, মহাবিদ্যালয়টি সরকারিকরণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের আনুষ্ঠানিক নির্দেশ আসায় স্থানীয় শিক্ষক,
আরও পড়ুন, পাঁচবিবিতে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মিঠাপুকুর মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ গোলাম মোস্তফা।এক প্রতিক্রিয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলেন, "এই নির্দেশনা মিঠাপুকুরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বাস্তবায়নে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এই উদ্যোগের ফলে এই অঞ্চলের অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হবে।"স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর প্রশাসনিক কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে গেলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই বিদ্যাপীঠটি সরকারি কলেজে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত গতি পাবে এবং এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

আপনার মতামত লিখুন