দেশের মানুষ যখন নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে তখন রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।বুধবার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিট সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন পুরো সমাজ যখন সংকটের মধ্যে রয়েছে তখন সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না। সরকারকে এ ধরনের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। এমন উদ্যোগ নেওয়া হলে জামায়াত স্পষ্টভাবে বিরোধিতা করবে বলেও জানান।শফিকুর রহমান বলেন সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রয়োজনে দায়িত্ব নিয়েছেন বেতনের বিনিময়ে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য নয়। দেশের ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হলে তখন সবার সঙ্গে সুযোগ-সুবিধা ভাগ করে নিতে তাদের আপত্তি থাকবে না।তিনি জানান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে জামায়াতে ইসলামী সরকারি প্লট না নেওয়া এবং শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা গ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েছিল। পরবর্তীতে সংসদেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আড়ও পড়ুন,‘শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্রে সায় দিচ্ছে দেশের গুপ্ত বাহিনী’: রিজভী
এ সময় সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে নোটিশ দেওয়ার পরও সেগুলো আলোচনায় না আসার অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। জ্বালানি সংকট সার বিদ্যুৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শিশু ধর্ষণ ও হত্যা এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোতে তারা নোটিশ দিয়েছেন বলেও জানান।সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন এক লিটার জ্বালানির দাম ২০ টাকা বাড়লে এর প্রভাব শুধু যানবাহনের চালকের ওপর পড়ে না। পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও বাজারদরেও এর প্রভাব পড়ে।সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন দেশের স্বার্থে গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরতে হবে। কোনো বক্তব্যের অংশবিশেষ প্রচার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা উচিত নয় বলেও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের মানুষ যখন নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে তখন রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।বুধবার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিট সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন পুরো সমাজ যখন সংকটের মধ্যে রয়েছে তখন সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না। সরকারকে এ ধরনের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। এমন উদ্যোগ নেওয়া হলে জামায়াত স্পষ্টভাবে বিরোধিতা করবে বলেও জানান।শফিকুর রহমান বলেন সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রয়োজনে দায়িত্ব নিয়েছেন বেতনের বিনিময়ে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য নয়। দেশের ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হলে তখন সবার সঙ্গে সুযোগ-সুবিধা ভাগ করে নিতে তাদের আপত্তি থাকবে না।তিনি জানান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে জামায়াতে ইসলামী সরকারি প্লট না নেওয়া এবং শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা গ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েছিল। পরবর্তীতে সংসদেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আড়ও পড়ুন,‘শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্রে সায় দিচ্ছে দেশের গুপ্ত বাহিনী’: রিজভী
এ সময় সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে নোটিশ দেওয়ার পরও সেগুলো আলোচনায় না আসার অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। জ্বালানি সংকট সার বিদ্যুৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শিশু ধর্ষণ ও হত্যা এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোতে তারা নোটিশ দিয়েছেন বলেও জানান।সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন এক লিটার জ্বালানির দাম ২০ টাকা বাড়লে এর প্রভাব শুধু যানবাহনের চালকের ওপর পড়ে না। পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও বাজারদরেও এর প্রভাব পড়ে।সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন দেশের স্বার্থে গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরতে হবে। কোনো বক্তব্যের অংশবিশেষ প্রচার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা উচিত নয় বলেও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন