জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরদিনই চট্টগ্রামের গণপরিবহণে দেখা দিয়েছে ভাড়া নৈরাজ্যের অভিযোগ। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বা বিআরটিএ এবং বাস মালিকপক্ষ এখনো নতুন ভাড়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না জানালেও সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন চালক ও হেল্পাররা।যাত্রীদের অভিযোগ, সরকার প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের দাম ২০ টাকা বাড়িয়েছে। এ কারণে নতুন ভাড়া নির্ধারণের প্রয়োজন হলে সেটি সরকারি সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই হওয়ার কথা। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের আগেই বাস ও বিভিন্ন গণপরিবহণে নিজেদের মতো করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ি মোড় থেকে নিউমার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বে মিনি বাসের ভাড়া ছিল ৭ টাকা। এখন সেখানে আদায় করা হচ্ছে ১৫ টাকা। কোতোয়ালি মোড় থেকে জামাল খান মোড় পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ টাকার ভাড়াও বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা।বহদ্দারহাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত বাসভাড়া আগে ছিল ১০ থেকে ১২ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ১২ থেকে ১৪ টাকা। গ্যাসচালিত মাহিন্দ্রার ভাড়াও ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ থেকে ২০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে পতেঙ্গা রুটে আগে ৩৫ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও এখন যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।
আরও পড়ুন, মা ও ৮ মাসের ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার
একইভাবে কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে ২ নম্বর গেট পর্যন্ত ১২ টাকার ভাড়া কোথাও ১৫ আবার কোথাও ২০ টাকা দাবি করা হচ্ছে।দূরপাল্লার রুটেও একই চিত্র দেখা গেছে। সরকারি চার্ট অনুযায়ী বহদ্দারহাট থেকে শিকলবাহা ক্রসিং পর্যন্ত ভাড়া ২২ টাকা হলেও যাত্রীদের কাছ থেকে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পটিয়া রুটে ৫৯ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। আর কেরানীহাট পর্যন্ত ১১২ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫০ টাকা পর্যন্ত।এ নিয়ে প্রতিদিনই যাত্রীদের সঙ্গে চালক ও হেল্পারদের বাগ্বিতণ্ডা হচ্ছে। কোথাও কোথাও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। অভিযোগ রয়েছে, ডিজেলচালিত পরিবহণের পাশাপাশি গ্যাসচালিত বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়াও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রাম নগরীতে বিভিন্ন রুটে বিপুলসংখ্যক বাস মিনিবাস হিউম্যান হলার ও অটোটেম্পো চলাচল করে। এসব গণপরিবহণের ওপর নির্ভরশীল বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য হঠাৎ ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।একজন সরকারি কলেজ শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, জ্বালানি তেলের দাম কমলে গণপরিবহণের ভাড়া কমানোর উদ্যোগ দেখা যায় না। কিন্তু তেলের দাম বাড়লেই কোনো সিদ্ধান্তের অপেক্ষা না করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরদিনই চট্টগ্রামের গণপরিবহণে দেখা দিয়েছে ভাড়া নৈরাজ্যের অভিযোগ। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বা বিআরটিএ এবং বাস মালিকপক্ষ এখনো নতুন ভাড়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না জানালেও সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন চালক ও হেল্পাররা।যাত্রীদের অভিযোগ, সরকার প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের দাম ২০ টাকা বাড়িয়েছে। এ কারণে নতুন ভাড়া নির্ধারণের প্রয়োজন হলে সেটি সরকারি সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই হওয়ার কথা। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের আগেই বাস ও বিভিন্ন গণপরিবহণে নিজেদের মতো করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ি মোড় থেকে নিউমার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বে মিনি বাসের ভাড়া ছিল ৭ টাকা। এখন সেখানে আদায় করা হচ্ছে ১৫ টাকা। কোতোয়ালি মোড় থেকে জামাল খান মোড় পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ টাকার ভাড়াও বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা।বহদ্দারহাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত বাসভাড়া আগে ছিল ১০ থেকে ১২ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ১২ থেকে ১৪ টাকা। গ্যাসচালিত মাহিন্দ্রার ভাড়াও ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ থেকে ২০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে পতেঙ্গা রুটে আগে ৩৫ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও এখন যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।
আরও পড়ুন, মা ও ৮ মাসের ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার
একইভাবে কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে ২ নম্বর গেট পর্যন্ত ১২ টাকার ভাড়া কোথাও ১৫ আবার কোথাও ২০ টাকা দাবি করা হচ্ছে।দূরপাল্লার রুটেও একই চিত্র দেখা গেছে। সরকারি চার্ট অনুযায়ী বহদ্দারহাট থেকে শিকলবাহা ক্রসিং পর্যন্ত ভাড়া ২২ টাকা হলেও যাত্রীদের কাছ থেকে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পটিয়া রুটে ৫৯ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। আর কেরানীহাট পর্যন্ত ১১২ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫০ টাকা পর্যন্ত।এ নিয়ে প্রতিদিনই যাত্রীদের সঙ্গে চালক ও হেল্পারদের বাগ্বিতণ্ডা হচ্ছে। কোথাও কোথাও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। অভিযোগ রয়েছে, ডিজেলচালিত পরিবহণের পাশাপাশি গ্যাসচালিত বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়াও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রাম নগরীতে বিভিন্ন রুটে বিপুলসংখ্যক বাস মিনিবাস হিউম্যান হলার ও অটোটেম্পো চলাচল করে। এসব গণপরিবহণের ওপর নির্ভরশীল বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য হঠাৎ ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।একজন সরকারি কলেজ শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, জ্বালানি তেলের দাম কমলে গণপরিবহণের ভাড়া কমানোর উদ্যোগ দেখা যায় না। কিন্তু তেলের দাম বাড়লেই কোনো সিদ্ধান্তের অপেক্ষা না করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন