চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি, ডাকাতির প্রস্তুতি, অপহরণ ও ধর্ষণ এবং দ্রুত বিচার আইনের মামলার অভিযুক্তসহ মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় একটি ফোল্ডিং টিপ ছুরি, একটি সাধারণ ছুরি ও একটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়। রোববার (৮ নভেম্বর) সদরঘাট থানা পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ জানায়, সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ)-এর নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী)-এর তত্ত্বাবধানে সদরঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। এতে এসআই মো. শাহিনুর রহমান, পিপিএম, এসআই মো. মনির উদ্দিন, এসআই মো. ফারুক আহমদ, এসআই হেদায়েত উল্লাহ, এএসআই শিপু মারমা ও এএসআই সরওয়ার মাহমুদসহ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানে হালিশহরের সিআর মামলা নম্বর ৫৩৬/২৫ ও দায়রা মামলা নম্বর ৬৭৬/২৬-এর সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. সেলিম এবং কোতোয়ালীর সিআর মামলা নম্বর ২৩৩২/২৫-এ এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত কাজী মোহাম্মদ আলিমুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন, তালতলীর টেংরাগিরি বন, নিলামে ঝড়ে পড়া গাছ কাটার আড়ালে অর্ধশতাধিক জীবিত গাছ কাটার অভিযোগ
এদিকে শুভপুর মোড়ের হোটেল বিরতির পাশের ঝোপঝাড়পূর্ণ এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে রাহাত হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে একটি ফোল্ডিং টিপ ছুরি এবং পালিয়ে যাওয়া সহযোগীদের ফেলে যাওয়া একটি ছুরি ও একটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সদরঘাট থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় মামলা নম্বর ০৬ দায়ের হয়েছে। পৃথক অভিযানে বাঁশখালীর চাম্বল এলাকা থেকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৯(১)/৩০ ধারায় দায়ের করা সদরঘাট থানার মামলা নম্বর ০৭-এর আসামি নুরুল হুদা তাসিফকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া দ্রুত বিচার আইনের ৪(১) ধারায় ১৯ অক্টোবর দায়ের করা মামলা নম্বর ১০-এর আসামি মো. রমজানকেও (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্যদিকে শুভপুর রেলবিট ও কদমতলী এলাকায় রাতের অন্ধকারে সন্দেহজনক চলাফেরার অভিযোগে আরও ১৪ জনকে আটক করা হয়। তারা হলেন মো. কাউছার, মো. আরমান, নুর মোহাম্মদ সম্রাট, মো. রিফাত, মো. মাহিম, মো. সুমন ওরফে শাহজাহান, মো. নুর নবী, মো. হেলাল, মো. হৃদয় হোসেন, মো. বাঁচা মিয়া, মো. রফিক, মো. রাকিব, মো. পারভেজ ও মো. রাশেদ। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ১৯ জনকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যথাযথ নিরাপত্তার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বিষয় : সিএমপি পুলিশের বিশেষ অভিযান

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি, ডাকাতির প্রস্তুতি, অপহরণ ও ধর্ষণ এবং দ্রুত বিচার আইনের মামলার অভিযুক্তসহ মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় একটি ফোল্ডিং টিপ ছুরি, একটি সাধারণ ছুরি ও একটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়। রোববার (৮ নভেম্বর) সদরঘাট থানা পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ জানায়, সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ)-এর নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী)-এর তত্ত্বাবধানে সদরঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। এতে এসআই মো. শাহিনুর রহমান, পিপিএম, এসআই মো. মনির উদ্দিন, এসআই মো. ফারুক আহমদ, এসআই হেদায়েত উল্লাহ, এএসআই শিপু মারমা ও এএসআই সরওয়ার মাহমুদসহ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানে হালিশহরের সিআর মামলা নম্বর ৫৩৬/২৫ ও দায়রা মামলা নম্বর ৬৭৬/২৬-এর সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. সেলিম এবং কোতোয়ালীর সিআর মামলা নম্বর ২৩৩২/২৫-এ এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত কাজী মোহাম্মদ আলিমুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন, তালতলীর টেংরাগিরি বন, নিলামে ঝড়ে পড়া গাছ কাটার আড়ালে অর্ধশতাধিক জীবিত গাছ কাটার অভিযোগ
এদিকে শুভপুর মোড়ের হোটেল বিরতির পাশের ঝোপঝাড়পূর্ণ এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে রাহাত হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে একটি ফোল্ডিং টিপ ছুরি এবং পালিয়ে যাওয়া সহযোগীদের ফেলে যাওয়া একটি ছুরি ও একটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সদরঘাট থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় মামলা নম্বর ০৬ দায়ের হয়েছে। পৃথক অভিযানে বাঁশখালীর চাম্বল এলাকা থেকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৯(১)/৩০ ধারায় দায়ের করা সদরঘাট থানার মামলা নম্বর ০৭-এর আসামি নুরুল হুদা তাসিফকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া দ্রুত বিচার আইনের ৪(১) ধারায় ১৯ অক্টোবর দায়ের করা মামলা নম্বর ১০-এর আসামি মো. রমজানকেও (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্যদিকে শুভপুর রেলবিট ও কদমতলী এলাকায় রাতের অন্ধকারে সন্দেহজনক চলাফেরার অভিযোগে আরও ১৪ জনকে আটক করা হয়। তারা হলেন মো. কাউছার, মো. আরমান, নুর মোহাম্মদ সম্রাট, মো. রিফাত, মো. মাহিম, মো. সুমন ওরফে শাহজাহান, মো. নুর নবী, মো. হেলাল, মো. হৃদয় হোসেন, মো. বাঁচা মিয়া, মো. রফিক, মো. রাকিব, মো. পারভেজ ও মো. রাশেদ। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ১৯ জনকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যথাযথ নিরাপত্তার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
