দল থেকে সাত ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া, কোচিং স্টাফে পরিবর্তন, একাদশে চার বদল—এতকিছুর পরও বদলাল না পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের চিত্র। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হয়েছে বাবর আজমের দল।বুধবার টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ইংল্যান্ড। শুরু থেকেই স্বাগতিক পেসারদের তোপের মুখে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটাররা। মাত্র ২৬ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বড় বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা।অধিনায়ক বাবর আজমও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন। জশ টংয়ের বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ৭ রান করে ফিরে যান তিনি।পাকিস্তানের প্রথম আট ব্যাটারের মধ্যে সাতজনই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন সৌদ শাকিল। ৪৭ বলে তাঁর ইনিংসটিই ছিল পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের একমাত্র উল্লেখযোগ্য লড়াই।এরপর লোয়ার অর্ডারে মোহাম্মদ আব্বাস ২১ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। শেষ উইকেটে আব্বাস ও মোহাম্মদ আলির ২৬ রানের জুটিই হয়ে ওঠে পাকিস্তানের ইনিংসের সর্বোচ্চ জুটি। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩৩ দশমিক ৫ ওভারে ১৩৩ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস।ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দেন জশ টং।
আড়ও পড়ুন,সিপিএলে অভিষেকেই মিরাজের ঝলক, ১৩ রানে ৩ উইকেট
৪২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং ধসের মূল কারিগর তিনিই। জফরা আর্চার ও অলি রবিনসন নেন ৩টি করে উইকেট।এই ম্যাচটি বিশেষ হয়ে উঠেছে রবিনসনের জন্যও। পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে আউট করে টেস্ট ক্যারিয়ারে ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশায় পাকিস্তান এই টেস্টে একাদশে চারটি পরিবর্তন এনেছিল। অভিষেক হয় তিন ক্রিকেটারের। এর আগে সিরিজের মাঝপথে সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরানো এবং কোচিং কাঠামোয় পরিবর্তন নিয়েও পাকিস্তান ক্রিকেটে তীব্র আলোচনা তৈরি হয়েছিল।কিন্তু এত রদবদলের পরও মাঠে তার কোনো প্রতিফলন দেখা গেল না। বরং ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণের সামনে আবারও প্রকাশ্যে এসেছে পাকিস্তানের ব্যাটিং দুর্বলতা।সিরিজে এরই মধ্যে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড। প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে জয় পেয়েছিল স্বাগতিকরা। তৃতীয় টেস্টেও শুরুতেই পাকিস্তানকে ১৩৩ রানে আটকে দিয়ে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের সম্ভাবনা আরও জোরালো করেছে ইংল্যান্ড।অর্থাৎ, দল বদলেছে, খেলোয়াড় বদলেছে, কোচিং কাঠামোয় পরিবর্তন এসেছে—কিন্তু পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের পুরোনো সংকট যেন কাটছেই না।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দল থেকে সাত ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া, কোচিং স্টাফে পরিবর্তন, একাদশে চার বদল—এতকিছুর পরও বদলাল না পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের চিত্র। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হয়েছে বাবর আজমের দল।বুধবার টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ইংল্যান্ড। শুরু থেকেই স্বাগতিক পেসারদের তোপের মুখে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটাররা। মাত্র ২৬ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বড় বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা।অধিনায়ক বাবর আজমও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন। জশ টংয়ের বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ৭ রান করে ফিরে যান তিনি।পাকিস্তানের প্রথম আট ব্যাটারের মধ্যে সাতজনই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন সৌদ শাকিল। ৪৭ বলে তাঁর ইনিংসটিই ছিল পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের একমাত্র উল্লেখযোগ্য লড়াই।এরপর লোয়ার অর্ডারে মোহাম্মদ আব্বাস ২১ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। শেষ উইকেটে আব্বাস ও মোহাম্মদ আলির ২৬ রানের জুটিই হয়ে ওঠে পাকিস্তানের ইনিংসের সর্বোচ্চ জুটি। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩৩ দশমিক ৫ ওভারে ১৩৩ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস।ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দেন জশ টং।
আড়ও পড়ুন,সিপিএলে অভিষেকেই মিরাজের ঝলক, ১৩ রানে ৩ উইকেট
৪২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং ধসের মূল কারিগর তিনিই। জফরা আর্চার ও অলি রবিনসন নেন ৩টি করে উইকেট।এই ম্যাচটি বিশেষ হয়ে উঠেছে রবিনসনের জন্যও। পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে আউট করে টেস্ট ক্যারিয়ারে ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশায় পাকিস্তান এই টেস্টে একাদশে চারটি পরিবর্তন এনেছিল। অভিষেক হয় তিন ক্রিকেটারের। এর আগে সিরিজের মাঝপথে সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরানো এবং কোচিং কাঠামোয় পরিবর্তন নিয়েও পাকিস্তান ক্রিকেটে তীব্র আলোচনা তৈরি হয়েছিল।কিন্তু এত রদবদলের পরও মাঠে তার কোনো প্রতিফলন দেখা গেল না। বরং ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণের সামনে আবারও প্রকাশ্যে এসেছে পাকিস্তানের ব্যাটিং দুর্বলতা।সিরিজে এরই মধ্যে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড। প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে জয় পেয়েছিল স্বাগতিকরা। তৃতীয় টেস্টেও শুরুতেই পাকিস্তানকে ১৩৩ রানে আটকে দিয়ে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের সম্ভাবনা আরও জোরালো করেছে ইংল্যান্ড।অর্থাৎ, দল বদলেছে, খেলোয়াড় বদলেছে, কোচিং কাঠামোয় পরিবর্তন এসেছে—কিন্তু পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের পুরোনো সংকট যেন কাটছেই না।

আপনার মতামত লিখুন