পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে বড় ধরনের কূটনৈতিক সংকটে পড়েছে ইরান। দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের ভোটাভুটিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ডের অমান্যতার বিষয়টি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জোরালো উদ্যোগের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত নেয় আইএইএ। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ উদ্যোগে আনা প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট পড়ে ২৩টি। বিপক্ষে ভোট দেয় তিনটি দেশ। আর আটটি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।প্রস্তাবের বিরোধিতা করা দেশগুলো হলো রাশিয়া, চীন ও নাইজার। বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের বিরোধিতা ইরানের জন্য কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।কারণ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ও চীন ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ফলে তেহরানের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদে কঠোর কোনো নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব উঠলে দেশ দুটি ভেটো দিতে পারে।
আড়ও পড়ুন,ইয়েমেনে একের পর এক বিমান হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বেড়েছে। ২০২৫ সালের জুনে ১২ দিনের সংঘাতের পর ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আইএইএর পরিদর্শন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সর্বশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের সময়ও এসব স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে।আইএইএ একাধিকবার ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানালেও তেহরান তা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।এদিকে আইএইএর সর্বশেষ সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। সংস্থাটিতে নিযুক্ত দেশটির প্রতিনিধি রেজা নাজাফি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের রাজনৈতিক চাপের মুখে এই প্রস্তাব পাস হয়েছে এবং এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।তেহরানের দাবি, নিরাপত্তা পরিষদে বিষয়টি পাঠানোর সিদ্ধান্ত ইরানের ওপর কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়াবে। তবে শেষ পর্যন্ত এটি কার্যকর কোনো ফলাফল বয়ে আনবে না বলেও মনে করছে ইরান।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে বড় ধরনের কূটনৈতিক সংকটে পড়েছে ইরান। দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের ভোটাভুটিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ডের অমান্যতার বিষয়টি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জোরালো উদ্যোগের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত নেয় আইএইএ। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ উদ্যোগে আনা প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট পড়ে ২৩টি। বিপক্ষে ভোট দেয় তিনটি দেশ। আর আটটি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।প্রস্তাবের বিরোধিতা করা দেশগুলো হলো রাশিয়া, চীন ও নাইজার। বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের বিরোধিতা ইরানের জন্য কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।কারণ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ও চীন ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ফলে তেহরানের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদে কঠোর কোনো নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব উঠলে দেশ দুটি ভেটো দিতে পারে।
আড়ও পড়ুন,ইয়েমেনে একের পর এক বিমান হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বেড়েছে। ২০২৫ সালের জুনে ১২ দিনের সংঘাতের পর ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আইএইএর পরিদর্শন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সর্বশেষ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের সময়ও এসব স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে।আইএইএ একাধিকবার ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানালেও তেহরান তা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।এদিকে আইএইএর সর্বশেষ সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। সংস্থাটিতে নিযুক্ত দেশটির প্রতিনিধি রেজা নাজাফি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের রাজনৈতিক চাপের মুখে এই প্রস্তাব পাস হয়েছে এবং এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।তেহরানের দাবি, নিরাপত্তা পরিষদে বিষয়টি পাঠানোর সিদ্ধান্ত ইরানের ওপর কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়াবে। তবে শেষ পর্যন্ত এটি কার্যকর কোনো ফলাফল বয়ে আনবে না বলেও মনে করছে ইরান।

আপনার মতামত লিখুন