ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ কবে শেষ হবে—এ নিয়ে নতুন সময়সীমার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটতে পারে।শুধু যুদ্ধ শেষ হওয়ার কথা নয়, সংঘাত থামলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও দ্রুত কমে আসবে বলে আশা করছেন ট্রাম্প।তবে বাস্তব চিত্র এখনো ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। বুধবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০১ ডলার ২১ সেন্টে স্থির হয়, যা জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ।বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের কারণে তেল সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।ট্রাম্পের এই সময়সীমা নিয়ে অবশ্য রাজনৈতিক প্রশ্নও উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো অ্যালেক্স ভাতাঙ্কার মতে,
আড়ও পড়ুন,সৌদিতে হুতিদের হামলা বাড়লে জবাব দেবে পাকিস্তান-তুরস্ক: খাজা আসিফ
নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাপ্তির সময় হিসেবে তুলে ধরে ট্রাম্প রাজনৈতিক বার্তাই দিচ্ছেন।কারণ, তেলের দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয় এখন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মার্কিন ভোটারদের অসন্তোষ বাড়ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।এদিকে ট্রাম্পের বক্তব্যের পরও তেলের বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। বরং যুদ্ধের বিস্তার এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে।বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। আর এর প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারেই নয়—পরিবহন, বিমান চলাচল, পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও পড়তে পারে।এখন বড় প্রশ্ন—নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর সত্যিই কি ইরান যুদ্ধ থামবে? আর যুদ্ধ থামলে ট্রাম্পের প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুত কমবে কি আন্তর্জাতিক বাজারের তেলের দাম? উত্তর পেতে তাকিয়ে থাকতে হবে মধ্যপ্রাচ্যের পরবর্তী পরিস্থিতি এবং নভেম্বরের মার্কিন নির্বাচনের দিকে।
বিষয় : তেলের দাম ইরান যুদ্ধ

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ কবে শেষ হবে—এ নিয়ে নতুন সময়সীমার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটতে পারে।শুধু যুদ্ধ শেষ হওয়ার কথা নয়, সংঘাত থামলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও দ্রুত কমে আসবে বলে আশা করছেন ট্রাম্প।তবে বাস্তব চিত্র এখনো ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। বুধবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০১ ডলার ২১ সেন্টে স্থির হয়, যা জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ।বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের কারণে তেল সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।ট্রাম্পের এই সময়সীমা নিয়ে অবশ্য রাজনৈতিক প্রশ্নও উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো অ্যালেক্স ভাতাঙ্কার মতে,
আড়ও পড়ুন,সৌদিতে হুতিদের হামলা বাড়লে জবাব দেবে পাকিস্তান-তুরস্ক: খাজা আসিফ
নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাপ্তির সময় হিসেবে তুলে ধরে ট্রাম্প রাজনৈতিক বার্তাই দিচ্ছেন।কারণ, তেলের দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয় এখন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মার্কিন ভোটারদের অসন্তোষ বাড়ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।এদিকে ট্রাম্পের বক্তব্যের পরও তেলের বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। বরং যুদ্ধের বিস্তার এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে।বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। আর এর প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারেই নয়—পরিবহন, বিমান চলাচল, পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও পড়তে পারে।এখন বড় প্রশ্ন—নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর সত্যিই কি ইরান যুদ্ধ থামবে? আর যুদ্ধ থামলে ট্রাম্পের প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুত কমবে কি আন্তর্জাতিক বাজারের তেলের দাম? উত্তর পেতে তাকিয়ে থাকতে হবে মধ্যপ্রাচ্যের পরবর্তী পরিস্থিতি এবং নভেম্বরের মার্কিন নির্বাচনের দিকে।

আপনার মতামত লিখুন