আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বাড়াতে নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।রোববার ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা সন্দেহজনক মনে হয়েছে। তাঁদের কাছে এমন কিছু গোপন তথ্য রয়েছে, যার ভিত্তিতে আশঙ্কা করা হচ্ছে—কেউ কেউ যেকোনো সময় নাশকতা বা স্যাবোটাজের মতো ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করতে পারেন।চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে প্রতিটি কর্মকাণ্ড নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। কেউ অপতৎপরতার চেষ্টা করলে তা তাঁর নিজের জন্যই আত্মঘাতী হবে।এ সময় গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি অত্যন্ত যুগোপযোগী। আইনটি কার্যকর হলে সারা দেশে গুমের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ায় নতুন গতি আসতে পারে।তিনি জানান, গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অত্যন্ত শক্তিশালী। তাই তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদেরও নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আড়ও পড়ুন,২০২৭ হজের নিবন্ধনে ধীরগতি, এক মাসে নিবন্ধন ২১১৪
এদিকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর অভিযোগের ভিত্তিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত করছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। রোববার গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্য ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আসেন। তাঁদের জবানবন্দি গ্রহণ করবে তদন্ত সংস্থা।চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এসব পরিবারের অভিযোগের তদন্ত শুরু হওয়ার পর কিছু অপরাধীর তৎপরতা বেড়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন আসামিদের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি এবং গুমের ভুক্তভোগী প্রতিটি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।তদন্ত যাতে কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয় এবং কেউ নাশকতার মাধ্যমে বিচার ও তদন্ত কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে—এ জন্য সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বিষয় : সতর্কতা আশঙ্কা ট্রাইব্যুনাল

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বাড়াতে নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।রোববার ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা সন্দেহজনক মনে হয়েছে। তাঁদের কাছে এমন কিছু গোপন তথ্য রয়েছে, যার ভিত্তিতে আশঙ্কা করা হচ্ছে—কেউ কেউ যেকোনো সময় নাশকতা বা স্যাবোটাজের মতো ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করতে পারেন।চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে প্রতিটি কর্মকাণ্ড নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। কেউ অপতৎপরতার চেষ্টা করলে তা তাঁর নিজের জন্যই আত্মঘাতী হবে।এ সময় গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি অত্যন্ত যুগোপযোগী। আইনটি কার্যকর হলে সারা দেশে গুমের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ায় নতুন গতি আসতে পারে।তিনি জানান, গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অত্যন্ত শক্তিশালী। তাই তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদেরও নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আড়ও পড়ুন,২০২৭ হজের নিবন্ধনে ধীরগতি, এক মাসে নিবন্ধন ২১১৪
এদিকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর অভিযোগের ভিত্তিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত করছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। রোববার গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্য ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আসেন। তাঁদের জবানবন্দি গ্রহণ করবে তদন্ত সংস্থা।চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এসব পরিবারের অভিযোগের তদন্ত শুরু হওয়ার পর কিছু অপরাধীর তৎপরতা বেড়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন আসামিদের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি এবং গুমের ভুক্তভোগী প্রতিটি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।তদন্ত যাতে কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয় এবং কেউ নাশকতার মাধ্যমে বিচার ও তদন্ত কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে—এ জন্য সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন