চলতি বছরের জুন মাসে দেশের পণ্য রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা ওঠানামার মধ্যেও এই প্রবৃদ্ধিকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।ইপিবির সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে আয় করেছে ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার, যেখানে ২০২৫ সালের জুনে আয় ছিল ৩৩৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ।তবে সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরজুড়ে মোট পণ্য রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলারের তুলনায় সামান্য কম।
আরও পড়ুন, মুরগির বাজারে নতুন ঊর্ধ্বগতি , আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে কাঁচাবাজার
ইপিবি বলছে, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং প্রধান রপ্তানি বাজারে চাহিদা কম থাকা সত্ত্বেও রপ্তানি আয় প্রায় একই পর্যায়ে ধরে রাখা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা ও অভিযোজন ক্ষমতারই প্রমাণ।দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্প জুন মাসে সবচেয়ে বড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৩৯ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে নিট পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক বেড়েছে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ।চলতি অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাত থেকে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ডলার, যা দেশের মোট রপ্তানির সবচেয়ে বড় অংশ।
বিষয় : রপ্তানি আয় তৈরি পোশাক ২৬ শতাংশ

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
চলতি বছরের জুন মাসে দেশের পণ্য রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা ওঠানামার মধ্যেও এই প্রবৃদ্ধিকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।ইপিবির সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি থেকে আয় করেছে ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার, যেখানে ২০২৫ সালের জুনে আয় ছিল ৩৩৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ।তবে সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরজুড়ে মোট পণ্য রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলারের তুলনায় সামান্য কম।
আরও পড়ুন, মুরগির বাজারে নতুন ঊর্ধ্বগতি , আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে কাঁচাবাজার
ইপিবি বলছে, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং প্রধান রপ্তানি বাজারে চাহিদা কম থাকা সত্ত্বেও রপ্তানি আয় প্রায় একই পর্যায়ে ধরে রাখা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের সক্ষমতা ও অভিযোজন ক্ষমতারই প্রমাণ।দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্প জুন মাসে সবচেয়ে বড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৩৯ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে নিট পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক বেড়েছে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ।চলতি অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাত থেকে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ডলার, যা দেশের মোট রপ্তানির সবচেয়ে বড় অংশ।

আপনার মতামত লিখুন