দেশে ভোজ্যতেলের উৎপাদন বাড়ানো এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে বড় ধরনের প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশীয় তৈলবীজ ব্যবহার করে ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১০ বছরের কর সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ ঘোষণা দেন। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন বা বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে ভোজ্যতেল উৎপাদন করলে দীর্ঘমেয়াদি কর ছাড় সুবিধা পাবে।প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম পাঁচ বছর প্রতিষ্ঠানগুলো শতভাগ কর অব্যাহতি ভোগ করবে। এরপরের তিন বছর ৫০ শতাংশ এবং শেষ দুই বছর ২৫ শতাংশ হারে কর ছাড় দেওয়া হবে। অর্থাৎ মোট ১০ বছর পর্যন্ত ধাপে ধাপে কর সুবিধা কার্যকর থাকবে।
আরও পড়ুন , ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৪,৪৩২ টাকা হ্রাস
সরকার মনে করছে, এ ধরনের কর প্রণোদনা কৃষি ও শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগের পথ খুলে দেবে। বিশেষ করে সরিষা, সয়াবিন, সূর্যমুখীসহ বিভিন্ন তৈলবীজ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়বে। এতে স্থানীয়ভাবে কাঁচামালের জোগান নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষি খাতও লাভবান হবে।বর্তমানে দেশের ভোজ্যতেল বাজারের বড় একটি অংশ আমদানিনির্ভর। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি বা সরবরাহ সংকট দেখা দিলে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশীয় বাজারে। সরকার আশা করছে, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে আমদানি ব্যয় কমবে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে।অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দেশীয় উৎপাদন বাড়লে সরবরাহ চেইন শক্তিশালী হবে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে ভোক্তারা তুলনামূলক কম দামে ভোজ্যতেল কিনতে পারবেন এবং বাজারে মূল্য অস্থিরতাও কমবে।
বিষয় : উৎপাদন নতুন উদ্যোগ ভোজ্যতেল

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
দেশে ভোজ্যতেলের উৎপাদন বাড়ানো এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে বড় ধরনের প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশীয় তৈলবীজ ব্যবহার করে ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১০ বছরের কর সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ ঘোষণা দেন। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন বা বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে ভোজ্যতেল উৎপাদন করলে দীর্ঘমেয়াদি কর ছাড় সুবিধা পাবে।প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম পাঁচ বছর প্রতিষ্ঠানগুলো শতভাগ কর অব্যাহতি ভোগ করবে। এরপরের তিন বছর ৫০ শতাংশ এবং শেষ দুই বছর ২৫ শতাংশ হারে কর ছাড় দেওয়া হবে। অর্থাৎ মোট ১০ বছর পর্যন্ত ধাপে ধাপে কর সুবিধা কার্যকর থাকবে।
আরও পড়ুন , ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৪,৪৩২ টাকা হ্রাস
সরকার মনে করছে, এ ধরনের কর প্রণোদনা কৃষি ও শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগের পথ খুলে দেবে। বিশেষ করে সরিষা, সয়াবিন, সূর্যমুখীসহ বিভিন্ন তৈলবীজ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়বে। এতে স্থানীয়ভাবে কাঁচামালের জোগান নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষি খাতও লাভবান হবে।বর্তমানে দেশের ভোজ্যতেল বাজারের বড় একটি অংশ আমদানিনির্ভর। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি বা সরবরাহ সংকট দেখা দিলে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশীয় বাজারে। সরকার আশা করছে, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে আমদানি ব্যয় কমবে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে।অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দেশীয় উৎপাদন বাড়লে সরবরাহ চেইন শক্তিশালী হবে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে ভোক্তারা তুলনামূলক কম দামে ভোজ্যতেল কিনতে পারবেন এবং বাজারে মূল্য অস্থিরতাও কমবে।

আপনার মতামত লিখুন