মধ্যপ্রাচ্যে আবারও তীব্র উত্তেজনা। দক্ষিণ লেবাননের গুরুত্বপূর্ণ শহর নাবাতিয়েহ ঘিরে ফেলার অবস্থানে পৌঁছেছে ইসরায়েলি বাহিনী বলে দাবি করেছে একাধিক সামরিক ও সংবাদ সূত্র।
জানা গেছে, ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েলি সেনারা লিতানি নদী অতিক্রম করেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই নদীকে ইসরায়েল তাদের অঘোষিত নিরাপত্তা বাফার জোনের সীমা হিসেবে বিবেচনা করে আসছিল।
আরও পড়ুন, মোদির সঙ্গে বৈঠকে যাচ্ছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট
বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী নাবাতিয়েহ শহরের উপকণ্ঠে অবস্থান করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। দক্ষিণ লেবাননের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত শহরটি হিজবুল্লাহ-প্রভাবিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
আরও পড়ুন, পিএসজির চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় উদযাপনে প্যারিসে সংঘর্ষ
অন্যদিকে, লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নাবাতিয়েহর কাছে একটি গাড়িতে হামলায় দুই সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। একই অঞ্চলের জেবশিত গ্রামে ড্রোন হামলায় একজন প্যারামেডিক নিহত এবং চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের কিরিয়াত শমোনা শহরে রকেট হামলা চালিয়েছে এবং দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ করেছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দক্ষিণ লেবাননের অন্তত ১০টি গ্রামে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে ইসরায়েল। লেবাননের কর্মকর্তাদের মতে, চলমান সংঘাতে ইতোমধ্যে প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
আরও পড়ুন, মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের ওপর নেমে এলো বিপর্যয়, ধসে পড়ল বাণিজ্যিক ভবন
এই পরিস্থিতিকে ‘বিপজ্জনক ও নজিরবিহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন নাওয়াফ সালাম। তিনি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেছেন, সামরিক অভিযান দিয়ে স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলি সামরিক অভিযান এবং হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। যদিও যুদ্ধবিরতির কথা বলা হচ্ছে, বাস্তবে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেই প্রচেষ্টা বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও তীব্র উত্তেজনা। দক্ষিণ লেবাননের গুরুত্বপূর্ণ শহর নাবাতিয়েহ ঘিরে ফেলার অবস্থানে পৌঁছেছে ইসরায়েলি বাহিনী বলে দাবি করেছে একাধিক সামরিক ও সংবাদ সূত্র।
জানা গেছে, ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েলি সেনারা লিতানি নদী অতিক্রম করেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই নদীকে ইসরায়েল তাদের অঘোষিত নিরাপত্তা বাফার জোনের সীমা হিসেবে বিবেচনা করে আসছিল।
আরও পড়ুন, মোদির সঙ্গে বৈঠকে যাচ্ছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট
বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী নাবাতিয়েহ শহরের উপকণ্ঠে অবস্থান করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। দক্ষিণ লেবাননের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত শহরটি হিজবুল্লাহ-প্রভাবিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
আরও পড়ুন, পিএসজির চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় উদযাপনে প্যারিসে সংঘর্ষ
অন্যদিকে, লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নাবাতিয়েহর কাছে একটি গাড়িতে হামলায় দুই সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। একই অঞ্চলের জেবশিত গ্রামে ড্রোন হামলায় একজন প্যারামেডিক নিহত এবং চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের কিরিয়াত শমোনা শহরে রকেট হামলা চালিয়েছে এবং দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ করেছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দক্ষিণ লেবাননের অন্তত ১০টি গ্রামে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে ইসরায়েল। লেবাননের কর্মকর্তাদের মতে, চলমান সংঘাতে ইতোমধ্যে প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
আরও পড়ুন, মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের ওপর নেমে এলো বিপর্যয়, ধসে পড়ল বাণিজ্যিক ভবন
এই পরিস্থিতিকে ‘বিপজ্জনক ও নজিরবিহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন নাওয়াফ সালাম। তিনি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেছেন, সামরিক অভিযান দিয়ে স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলি সামরিক অভিযান এবং হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। যদিও যুদ্ধবিরতির কথা বলা হচ্ছে, বাস্তবে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেই প্রচেষ্টা বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন