বাবার আকস্মিক মৃত্যুর শোক বুকে নিয়েও দায়িত্ববোধ আর ভবিষ্যতের কথা ভেবে এসএসসি পরীক্ষার শেষ দিনে কেন্দ্রে হাজির হয় নোয়াখালীর শিক্ষার্থী আবতাহি উদ্দিন লাবিব। বাড়িতে বাবার মরদেহ রেখে জীববিজ্ঞান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার এই ঘটনা অনেককেই আবেগাপ্লুত করেছে। বুধবার সকালে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে জীববিজ্ঞান বিষয়ের তাত্ত্বিক পরীক্ষায় অংশ নেয় লাবিব। সে নোয়াখালী জিলা স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন, বাবার স্মৃতিচিহ্ন হাতে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
লাবিবের বাবা মোহাম্মদ মফিদুল আলম আরজু ছিলেন চাটখিল মহিলা ডিগ্রি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। গত সোমবার রাতে ঢাকায় চিকিৎসা শেষে এক আত্মীয়ের বাসায় অবস্থানকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। পরিবার জানায়, বুধবার ছিল লাবিবের এসএসসি পরীক্ষার শেষ দিন। বাবার মৃত্যুতে ভেঙে পড়লেও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা শেষ করতে সকালেই কেন্দ্রে যায় সে। পরীক্ষা শেষে অশ্রুসিক্ত চোখে বাড়ি ফিরে বাবার জানাজা ও দাফনে অংশ নেয়। এ সময় সহপাঠী ও শিক্ষকরা পরীক্ষাকেন্দ্রে তার পাশে ছিলেন।
আরও পড়ুন, হাওরে ঈদের আনন্দ ম্লান, কম দামে গরু বিক্রিতে বাধ্য কৃষক
মেধাবী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত মফিদুল আলম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। ১৯৯৯ সালে চাটখিল মহিলা ডিগ্রি কলেজে শিক্ষকতা শুরু করে দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিদিন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কলেজে ক্লাস নিতেন তিনি।
আরও পড়ুন, ‘মার্ডার ফিরোজ’ গ্রেপ্তার হয়নি ১৫ দিনেও, ক্ষোভে সড়ক অবরোধ
কলেজের সহকর্মীরা বলছেন, সন্তানের সফলতা ছিল মফিদুল স্যারের বড় স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ববোধ থেকেই হয়তো চরম শোকের মাঝেও পরীক্ষার হলে বসেছে লাবিব। একজন সন্তানের জীবনে বাবাকে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশের নয়। তবু শোককে শক্তিতে পরিণত করে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার এই দৃঢ়তা অনেকের কাছে হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার গল্প।

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
বাবার আকস্মিক মৃত্যুর শোক বুকে নিয়েও দায়িত্ববোধ আর ভবিষ্যতের কথা ভেবে এসএসসি পরীক্ষার শেষ দিনে কেন্দ্রে হাজির হয় নোয়াখালীর শিক্ষার্থী আবতাহি উদ্দিন লাবিব। বাড়িতে বাবার মরদেহ রেখে জীববিজ্ঞান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার এই ঘটনা অনেককেই আবেগাপ্লুত করেছে। বুধবার সকালে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে জীববিজ্ঞান বিষয়ের তাত্ত্বিক পরীক্ষায় অংশ নেয় লাবিব। সে নোয়াখালী জিলা স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন, বাবার স্মৃতিচিহ্ন হাতে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
লাবিবের বাবা মোহাম্মদ মফিদুল আলম আরজু ছিলেন চাটখিল মহিলা ডিগ্রি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। গত সোমবার রাতে ঢাকায় চিকিৎসা শেষে এক আত্মীয়ের বাসায় অবস্থানকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। পরিবার জানায়, বুধবার ছিল লাবিবের এসএসসি পরীক্ষার শেষ দিন। বাবার মৃত্যুতে ভেঙে পড়লেও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা শেষ করতে সকালেই কেন্দ্রে যায় সে। পরীক্ষা শেষে অশ্রুসিক্ত চোখে বাড়ি ফিরে বাবার জানাজা ও দাফনে অংশ নেয়। এ সময় সহপাঠী ও শিক্ষকরা পরীক্ষাকেন্দ্রে তার পাশে ছিলেন।
আরও পড়ুন, হাওরে ঈদের আনন্দ ম্লান, কম দামে গরু বিক্রিতে বাধ্য কৃষক
মেধাবী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত মফিদুল আলম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। ১৯৯৯ সালে চাটখিল মহিলা ডিগ্রি কলেজে শিক্ষকতা শুরু করে দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিদিন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কলেজে ক্লাস নিতেন তিনি।
আরও পড়ুন, ‘মার্ডার ফিরোজ’ গ্রেপ্তার হয়নি ১৫ দিনেও, ক্ষোভে সড়ক অবরোধ
কলেজের সহকর্মীরা বলছেন, সন্তানের সফলতা ছিল মফিদুল স্যারের বড় স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ববোধ থেকেই হয়তো চরম শোকের মাঝেও পরীক্ষার হলে বসেছে লাবিব। একজন সন্তানের জীবনে বাবাকে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশের নয়। তবু শোককে শক্তিতে পরিণত করে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার এই দৃঢ়তা অনেকের কাছে হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার গল্প।

আপনার মতামত লিখুন