দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

৪২ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি, পানির নিচে চট্টগ্রাম, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ

৪২ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি, পানির নিচে চট্টগ্রাম, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ
৪২ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি, পানির নিচে চট্টগ্রাম,

রেকর্ড বৃষ্টিতে কার্যত পানির নিচে তলিয়ে গেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এতে নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকা জলাবদ্ধতায় ডুবে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন লাখো মানুষ।বাড়িঘরে ঢুকে পড়েছে পানি। নষ্ট হয়েছে আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় মালামাল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের অসংখ্য ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, নিয়মিত খাল-নালা পরিষ্কার না হওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়েছে।ভারি বৃষ্টিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ষোলশহর এলাকায় রেললাইনের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় ৬৫০ যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস কয়েক ঘণ্টা আটকা পড়ে। 

আরও পড়ুন, ভারী বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ সাজেক ভ্যালি

একই সঙ্গে বৈরী আবহাওয়ায় শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি ফ্লাইট অবতরণ করতে না পেরে ঢাকায় ফিরে যায়।টানা বর্ষণে পাঁচলাইশে দেয়াল ধসে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও চারজন।এদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র জানিয়েছেন, নগরীর প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়নি। চলমান খাল উন্নয়ন প্রকল্প শেষ হলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা দূর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।তবে নগর পরিকল্পনাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, শুধু প্রকল্প নয়—খাল দখল, পাহাড় কাটা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণেই প্রতিবছর একই সংকট দেখা দিচ্ছে।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিষয় : চরম দুর্ভোগ রেকর্ড বৃষ্টি বন্দরনগরী চট্টগ্রাম

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬


৪২ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি, পানির নিচে চট্টগ্রাম, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

রেকর্ড বৃষ্টিতে কার্যত পানির নিচে তলিয়ে গেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এতে নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকা জলাবদ্ধতায় ডুবে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন লাখো মানুষ।বাড়িঘরে ঢুকে পড়েছে পানি। নষ্ট হয়েছে আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় মালামাল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের অসংখ্য ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, নিয়মিত খাল-নালা পরিষ্কার না হওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়েছে।ভারি বৃষ্টিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ষোলশহর এলাকায় রেললাইনের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় ৬৫০ যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস কয়েক ঘণ্টা আটকা পড়ে। 

আরও পড়ুন, ভারী বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ সাজেক ভ্যালি

একই সঙ্গে বৈরী আবহাওয়ায় শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি ফ্লাইট অবতরণ করতে না পেরে ঢাকায় ফিরে যায়।টানা বর্ষণে পাঁচলাইশে দেয়াল ধসে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও চারজন।এদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র জানিয়েছেন, নগরীর প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়নি। চলমান খাল উন্নয়ন প্রকল্প শেষ হলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা দূর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।তবে নগর পরিকল্পনাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, শুধু প্রকল্প নয়—খাল দখল, পাহাড় কাটা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণেই প্রতিবছর একই সংকট দেখা দিচ্ছে।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত