টানা ভারি বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড়ধসে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। একই সঙ্গে বন্যা, জলাবদ্ধতা ও তীরভাঙনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা সদর ইছাখালী গুচ্ছগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রবল বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়ের মাটি ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়ে। এতে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান ৫৬ বছর বয়সী রেনু আক্তার। আহত দুইজনকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, ৪২ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি, পানির নিচে চট্টগ্রাম, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, পাহাড়ধসের ঝুঁকি সম্পর্কে মাইকিং করে বারবার সতর্ক করা হলেও এ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়নি।এদিকে টানা বৃষ্টিতে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা, জলাবদ্ধতা, পাহাড়ধস, নদীর পানি বৃদ্ধি এবং তীরভাঙনে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সরফভাটা, কদমতলী, ভবানি ও পারুয়া এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।আবহাওয়া অনুকূলে না আসা পর্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
বিষয় : নারীর মৃত্যু টানা বৃষ্টি পাহাড়ধসে

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
টানা ভারি বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড়ধসে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। একই সঙ্গে বন্যা, জলাবদ্ধতা ও তীরভাঙনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা সদর ইছাখালী গুচ্ছগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রবল বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়ের মাটি ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়ে। এতে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান ৫৬ বছর বয়সী রেনু আক্তার। আহত দুইজনকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, ৪২ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি, পানির নিচে চট্টগ্রাম, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, পাহাড়ধসের ঝুঁকি সম্পর্কে মাইকিং করে বারবার সতর্ক করা হলেও এ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়নি।এদিকে টানা বৃষ্টিতে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা, জলাবদ্ধতা, পাহাড়ধস, নদীর পানি বৃদ্ধি এবং তীরভাঙনে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সরফভাটা, কদমতলী, ভবানি ও পারুয়া এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।আবহাওয়া অনুকূলে না আসা পর্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন