কুরবানির ঈদ সামনে রেখে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গবাদিপশুর হাট ও জবাই প্রক্রিয়ায় নতুন প্রশাসনিক কড়াকড়ি ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ছোট ও মাঝারি পর্যায়ের খামারিদের ওপর। বিশেষ করে হিন্দু গরু খামারিরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন, গভীর পানির গুহায় মিলল চার পর্যটকের মরদেহ
খামারিদের অভিযোগ, সারা বছর ঋণ ও ধারদেনা করে গরু পালন করা হয় মূলত কুরবানির মৌসুমে ভালো দামে বিক্রির আশায়। কিন্তু নতুন নিয়মকানুন ও প্রশাসনিক বিধিনিষেধের কারণে ক্রেতাদের মধ্যে ভীতি তৈরি হয়েছে। অনেকেই আইনি জটিলতার আশঙ্কায় পশুর হাটে আসছেন না। ফলে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মুর্শিদাবাদসহ কয়েকটি জেলার হাট কার্যত ফাঁকা হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
আরও পড়ুন, উচ্ছেদ ও বিধিনিষেধ ঘিরে পার্ক সার্কাসে ব্যাপক বিক্ষোভ
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ ছাড়া গরু বা মহিষ জবাই করা যাবে না। জবাইয়ের আগে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথ অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া পশুর বয়স, শারীরিক অবস্থা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গর্ভবতী পশু জবাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে খোলা জায়গায় জবাই বন্ধ রেখে শুধুমাত্র অনুমোদিত কসাইখানায় পশু জবাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, বিস্ফোরণের মধ্যে তিন নবজাতককে কোলে নিয়ে জীবন ভিক্ষা চেয়েছিলাম
নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা কিংবা কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে পশুর বয়স নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক খামারি। তাদের দাবি, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পশুর বয়স প্রমাণে নির্ভরযোগ্য কাগজপত্র থাকে না, যা প্রশাসনিক হয়রানির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই পরিস্থিতিতে গবাদিপশু বিক্রির ওপর নির্ভরশীল বহু পরিবার আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
বিষয় : নির্দেশনা পশ্চিমবঙ্গ কুরবানি খামারি

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
কুরবানির ঈদ সামনে রেখে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গবাদিপশুর হাট ও জবাই প্রক্রিয়ায় নতুন প্রশাসনিক কড়াকড়ি ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ছোট ও মাঝারি পর্যায়ের খামারিদের ওপর। বিশেষ করে হিন্দু গরু খামারিরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন, গভীর পানির গুহায় মিলল চার পর্যটকের মরদেহ
খামারিদের অভিযোগ, সারা বছর ঋণ ও ধারদেনা করে গরু পালন করা হয় মূলত কুরবানির মৌসুমে ভালো দামে বিক্রির আশায়। কিন্তু নতুন নিয়মকানুন ও প্রশাসনিক বিধিনিষেধের কারণে ক্রেতাদের মধ্যে ভীতি তৈরি হয়েছে। অনেকেই আইনি জটিলতার আশঙ্কায় পশুর হাটে আসছেন না। ফলে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মুর্শিদাবাদসহ কয়েকটি জেলার হাট কার্যত ফাঁকা হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
আরও পড়ুন, উচ্ছেদ ও বিধিনিষেধ ঘিরে পার্ক সার্কাসে ব্যাপক বিক্ষোভ
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ ছাড়া গরু বা মহিষ জবাই করা যাবে না। জবাইয়ের আগে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথ অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া পশুর বয়স, শারীরিক অবস্থা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গর্ভবতী পশু জবাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে খোলা জায়গায় জবাই বন্ধ রেখে শুধুমাত্র অনুমোদিত কসাইখানায় পশু জবাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, বিস্ফোরণের মধ্যে তিন নবজাতককে কোলে নিয়ে জীবন ভিক্ষা চেয়েছিলাম
নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা কিংবা কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে পশুর বয়স নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক খামারি। তাদের দাবি, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পশুর বয়স প্রমাণে নির্ভরযোগ্য কাগজপত্র থাকে না, যা প্রশাসনিক হয়রানির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই পরিস্থিতিতে গবাদিপশু বিক্রির ওপর নির্ভরশীল বহু পরিবার আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

আপনার মতামত লিখুন