কোরবানির ঈদ শেষ হলেও দেশের পশুর বাজারে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের চাপ। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখের বেশি। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটির কিছু বেশি পশু কোরবানি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে এখনো দেশে অবিক্রীত রয়ে গেছে প্রায় ২২ থেকে ২৩ লাখ পশু।আরও পড়ুন, ইরাকে নিহত প্রবাসী শ্রাবনের মরদেহ পৌঁছাল ঢাকায়খামারি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবারের বাজারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বড় গরুর খামারিরা। রাজধানীর বিভিন্ন হাটে অনেক ব্যবসায়ীর অর্ধেকেরও বেশি গরু বিক্রি না হওয়ায় এখন ট্রাকে করে আবার গ্রামে ফিরিয়ে নিতে হচ্ছে অবিক্রীত পশু।আরও পড়ুন, যমুনা সেতুতে ঈদযাত্রায় ৪ দিনে প্রায় ১৪ কোটি টাকা টোল আদায়ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া, বড় গরুর চাহিদা হ্রাস এবং সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পশু প্রবেশ—সব মিলিয়ে বাজারে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টি ও কাদাময় হাট পরিস্থিতিও বিক্রিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।বগুড়া, মানিকগঞ্জ, কুষ্টিয়া, দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলার খামারিরা জানিয়েছেন, লাখ লাখ টাকার লোকসান গুনে অনেকেই বাধ্য হয়ে কম দামে পশু বিক্রি করেছেন, আবার অনেকে খালি ট্রাক নিয়ে ফিরে গেছেন।আরও পড়ুন, বিরল নয়, তবু আলোচনায় অ্যালবিনো মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন বলছে, এবার বাজারে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি ছিল। বড় গরুর বাজার কার্যত বড় ধসের মুখে পড়েছে।প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বলছে, চূড়ান্ত হিসাব এখনো প্রস্তুত হয়নি। তবে বাজারে কিছু উদ্বৃত্ত পশু থাকলে সারা বছর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হতে পারে।