কলকাতার পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট এলাকায় রোববার দুপুরে বড় ধরনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উচ্ছেদ অভিযান ও প্রশাসনিক কিছু বিধিনিষেধকে ঘিরে কয়েকদিন ধরেই এলাকায় অসন্তোষ চলছিল। সেই অসন্তোষ থেকেই হাজারো মানুষ রাস্তায় নামেন।
আরও পড়ুন, জ্বালানি ঘাটতিতে বিপর্যস্ত এশিয়া, বাড়ছে মূল্যস্ফীতি
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, নতুন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কারণে ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিক্ষোভ চলাকালে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়ে। পরে কলকাতা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।
আরও পড়ুন, ওমানে জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে, ২৭ মে ঈদুল আজহা
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সড়ক ছাড়ার নির্দেশের পর পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের উত্তেজনা তৈরি হয় এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে। এ সময় একটি বাহিনীর যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
আরও পড়ুন, বিস্ফোরণের মধ্যে তিন নবজাতককে কোলে নিয়ে জীবন ভিক্ষা চেয়েছিলাম
পরবর্তীতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার রয়েছে এবং টহল চলছে।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
কলকাতার পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট এলাকায় রোববার দুপুরে বড় ধরনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উচ্ছেদ অভিযান ও প্রশাসনিক কিছু বিধিনিষেধকে ঘিরে কয়েকদিন ধরেই এলাকায় অসন্তোষ চলছিল। সেই অসন্তোষ থেকেই হাজারো মানুষ রাস্তায় নামেন।
আরও পড়ুন, জ্বালানি ঘাটতিতে বিপর্যস্ত এশিয়া, বাড়ছে মূল্যস্ফীতি
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, নতুন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কারণে ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিক্ষোভ চলাকালে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়ে। পরে কলকাতা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।
আরও পড়ুন, ওমানে জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে, ২৭ মে ঈদুল আজহা
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সড়ক ছাড়ার নির্দেশের পর পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের উত্তেজনা তৈরি হয় এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে। এ সময় একটি বাহিনীর যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
আরও পড়ুন, বিস্ফোরণের মধ্যে তিন নবজাতককে কোলে নিয়ে জীবন ভিক্ষা চেয়েছিলাম
পরবর্তীতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার রয়েছে এবং টহল চলছে।

আপনার মতামত লিখুন