যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল দাবি করেছে, চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে স্টারমার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের জানিয়েছেন—তিনি নির্দিষ্ট সময়ে পদত্যাগ করতে প্রস্তুত এবং শিগগিরই এ বিষয়ে সময়সূচি ঘোষণা করতে পারেন।
আরও পড়ুন, যুদ্ধবিরতির পর ফের ইরানে হামলার প্রস্তুতি
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্টারমার বর্তমান রাজনৈতিক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে আর দীর্ঘায়িত করতে চান না এবং তিনি “নিজের শর্তে” দায়িত্ব ছাড়তে আগ্রহী। এরই মধ্যে লেবার পার্টির সরকার একাধিক সংকটে পড়েছে। বিতর্কিত নিয়োগ, নির্বাচনী ভরাডুবি এবং দলের ভেতরে নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
আরও পড়ুন, ওমানে গাড়ির ভেতরে একসঙ্গে মৃত্যু ৪ বাংলাদেশি ভাইয়ের, এখনো জানেন না মা
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করে স্টারমারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছেন। তিনি স্টারমারকে তার বিদায়ের সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে জনমত জরিপেও বড় ধস দেখা গেছে। ইউগভ ইউকে বলছে, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক স্টারমারের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন, যা তাকে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে অন্যতম অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানে ফেলেছে।
আরও পড়ুন, যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সংকট
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে লেবার পার্টির ক্ষমতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।তবে এখন পর্যন্ত ডাউনিং স্ট্রিটের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য আসেনি।
বিষয় : পদত্যাগ সময়সূচি প্রধানমন্ত্রী স্টারমার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল দাবি করেছে, চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে স্টারমার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের জানিয়েছেন—তিনি নির্দিষ্ট সময়ে পদত্যাগ করতে প্রস্তুত এবং শিগগিরই এ বিষয়ে সময়সূচি ঘোষণা করতে পারেন।
আরও পড়ুন, যুদ্ধবিরতির পর ফের ইরানে হামলার প্রস্তুতি
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্টারমার বর্তমান রাজনৈতিক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে আর দীর্ঘায়িত করতে চান না এবং তিনি “নিজের শর্তে” দায়িত্ব ছাড়তে আগ্রহী। এরই মধ্যে লেবার পার্টির সরকার একাধিক সংকটে পড়েছে। বিতর্কিত নিয়োগ, নির্বাচনী ভরাডুবি এবং দলের ভেতরে নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
আরও পড়ুন, ওমানে গাড়ির ভেতরে একসঙ্গে মৃত্যু ৪ বাংলাদেশি ভাইয়ের, এখনো জানেন না মা
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করে স্টারমারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছেন। তিনি স্টারমারকে তার বিদায়ের সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে জনমত জরিপেও বড় ধস দেখা গেছে। ইউগভ ইউকে বলছে, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক স্টারমারের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন, যা তাকে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে অন্যতম অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানে ফেলেছে।
আরও পড়ুন, যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সংকট
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে লেবার পার্টির ক্ষমতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।তবে এখন পর্যন্ত ডাউনিং স্ট্রিটের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য আসেনি।

আপনার মতামত লিখুন