ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবার সরাসরি আঘাত হানছে এশিয়ার অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায়। ভারত থেকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান থেকে ফিলিপাইন—একটির পর একটি দেশ জ্বালানি সংকট, মূল্যস্ফীতি ও শিল্প উৎপাদন কমে যাওয়ার চাপে পড়ছে।পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাগরিকদের ঘরে বসে কাজ করার এবং অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। জ্বালানি সাশ্রয় ও সরবরাহ সংকট মোকাবিলার অংশ হিসেবেই এই বার্তা এসেছে বলে জানা গেছে।শুধু ভারত নয়, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশও জ্বালানি
ব্যবহার কমানো এবং বিকল্প উৎস খোঁজার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে উদ্বেগ বাড়ছে মজুত ঘাটতি নিয়েও। খবরে বলা হচ্ছে, ইন্দোনেশিয়ার হাতে মাত্র তিন সপ্তাহের এবং ভিয়েতনামের হাতে এক মাসেরও কম জ্বালানি মজুত রয়েছে।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো গ্যাসনির্ভর দেশগুলোতে দীর্ঘ সময়ের বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। গ্রামীণ অঞ্চলে ডিজেলের অভাবে কৃষিকাজ
আরো পড়ুন , ওমানে গাড়ির ভেতরে একসঙ্গে মৃত্যু ৪ বাংলাদেশি ভাইয়ের, এখনো জানেন না মা
বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে বেড়েছে সারের দাম, যার প্রভাব পড়ছে ধান উৎপাদনেও।শিল্প খাতেও দেখা দিয়েছে নতুন সংকট। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। শিল্পমালিকরা বলছেন, জ্বালানি ও কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এদিকে ফিলিপাইনে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশে এবং দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও কমেছে।জাতিসংঘ আশঙ্কা করছে, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে দক্ষিণ এশিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যেতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘ হলে শুধু অর্থনীতি নয়, রাজনৈতিক অস্থিরতাও বাড়তে পারে।তবে সংকটের মধ্যেও নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। অনেক দেশ বিকল্প জ্বালানি, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ফলে এই যুদ্ধ এশিয়ার জ্বালানি ও অর্থনৈতিক মানচিত্রেও বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবার সরাসরি আঘাত হানছে এশিয়ার অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায়। ভারত থেকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান থেকে ফিলিপাইন—একটির পর একটি দেশ জ্বালানি সংকট, মূল্যস্ফীতি ও শিল্প উৎপাদন কমে যাওয়ার চাপে পড়ছে।পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাগরিকদের ঘরে বসে কাজ করার এবং অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। জ্বালানি সাশ্রয় ও সরবরাহ সংকট মোকাবিলার অংশ হিসেবেই এই বার্তা এসেছে বলে জানা গেছে।শুধু ভারত নয়, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশও জ্বালানি
ব্যবহার কমানো এবং বিকল্প উৎস খোঁজার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে উদ্বেগ বাড়ছে মজুত ঘাটতি নিয়েও। খবরে বলা হচ্ছে, ইন্দোনেশিয়ার হাতে মাত্র তিন সপ্তাহের এবং ভিয়েতনামের হাতে এক মাসেরও কম জ্বালানি মজুত রয়েছে।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো গ্যাসনির্ভর দেশগুলোতে দীর্ঘ সময়ের বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। গ্রামীণ অঞ্চলে ডিজেলের অভাবে কৃষিকাজ
আরো পড়ুন , ওমানে গাড়ির ভেতরে একসঙ্গে মৃত্যু ৪ বাংলাদেশি ভাইয়ের, এখনো জানেন না মা
বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে বেড়েছে সারের দাম, যার প্রভাব পড়ছে ধান উৎপাদনেও।শিল্প খাতেও দেখা দিয়েছে নতুন সংকট। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। শিল্পমালিকরা বলছেন, জ্বালানি ও কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এদিকে ফিলিপাইনে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশে এবং দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও কমেছে।জাতিসংঘ আশঙ্কা করছে, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে দক্ষিণ এশিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যেতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘ হলে শুধু অর্থনীতি নয়, রাজনৈতিক অস্থিরতাও বাড়তে পারে।তবে সংকটের মধ্যেও নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। অনেক দেশ বিকল্প জ্বালানি, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ফলে এই যুদ্ধ এশিয়ার জ্বালানি ও অর্থনৈতিক মানচিত্রেও বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন